মালদহ : প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্য। তৃণমূল কর্মী রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ বিজেপির। ঘটনায় মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের বিজেপির। কেউ এই ধরণের ঘটনা ঘটালে দল পাশে দাঁড়াবে না বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ।

নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দলকে কালিমালিপ্ত করতে তৃণমূলের মদতে উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবে ওই পোস্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি।

রবিবার এব্যাপারে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় ওই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এ ধরণের পোস্টকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলেও বিজেপির তরফে আশঙ্কা করা হয়েছে। ফলে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি।

পুলিশে অভিযোগ দায়ের হতেই অবশ্য ওই পোস্ট মুছে দিয়েছেন ওই তৃণমূল কর্মী। তার বক্তব্য, তার ছোট মেয়ে মোবাইল নিয়ে নাড়াচাড়া করার সময় ভুল করে সেটি পোস্ট হয়ে গিয়েছে।

এই বিষয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, ” অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

পুলিশ ও বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ফেসবুকে নিজের ওয়ালে ওই পোস্ট করেন হরিশ্চন্দ্রপুরের রাড়িয়ালের বাসিন্দা ওই তৃনমূল কর্মী। ভাইরাল হওয়া পোস্টে দেখা যাচ্ছে পাশাপাশি রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রধানমন্ত্রী। দুজনেরই দাড়ি রয়েছে। পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, চেষ্টা করেছিল কবিগুরু কে নকল করতে। তার নীচে পাশাপাশি রয়েছে আশারাম ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি রয়েছে। সেখানেও দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করা হয়। তারপরই এমন পোস্টকে ঘিরে বিজেপি নেতা, কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ছড়ায়।

বিজেপির জেলা সম্পাদক দীপঙ্কর রাম বলেন, “নির্বাচনের মুখে প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করতেই তৃণমূলের মদতে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে এটা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পুলিশকে বলেছি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে। কোনও দলেরই নেতানেত্রীদের সম্পর্কে এমন কুরুচিকর মন্তব্য শোভা পায় না।”

হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক দাস বলেন, “এখানে দলের কোনও বিষয় নেই। প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী কারও সম্পর্কেই এমন কুরুচিকর মন্তব্য করা ঠিক নয়। কি হয়েছে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।”

এদিকে পুলিশে অভিযোগ হতেই পোস্টটি অবশ্য নিজের ফেসবুক ওয়াল থেকে মুছে দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিন তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বাইরে রয়েছি। ফোন মেয়ের হাতে ছিল। ভুলবশত ওটা পোস্ট হয়ে গিয়েছে। কেউ দুঃখ পেলে আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।