মাদ্রিদ : পৃথিবী জুড়ে অব্যাহত কালান্তক করোনার কালবেলা। বছর ঘুরতে চললেও সংক্রমণের দাপট এখনও ঊর্ধ্বমুখী। আর এই মারণ ব্যাধির দাপটে যখন হাসফাঁস অবস্থায় সাধারণ মানুষের ঠিক তখনই ফের আরও এক আশঙ্কার কথা শোনালেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি একটি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জার্নালে স্পেনের গ্রানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, শুধু করোনার মতো জীবাণুই নয়, যেকোনও ধরনের এককোষী অনুজীব অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে৷ নতুন গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, এই জীবাণুগুলি কেবল মানব এবং প্রাণী স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে না, জলবায়ু এবং বাস্তুতন্ত্রকেও প্রভাবিত করতে পারে এরা।

‘অ্যাটমোস্ফেরিক রিসার্চ জার্নালে’ প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, যেকোনও ধরনের ব্যাকটেরিয়া এক জায়গা থেকে বা একটি পাএ থেকে দ্রুত অন্য পাত্রে প্রবেশ করে নোংরা জীবাণু ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। এরফলে মানব দেহ ছাড়াও পরিবেশের উপরও যথেষ্ট কুপ্রভাব পড়ে।

স্পেনের গ্রানাডা ইউনিভার্সিটির (ইউজিআর) বিজ্ঞানীদের মতে, এই অ্যারোসোলগুলি ব্যাকটিরিয়ার জন্য “লঞ্চ বাহন” এর মতো কাজ করে এবং সমস্ত মহাদেশ জুুড়ে সংক্রামিত রোগের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তাঁরা ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, ব্যাকটেরিয়া আইবারুলাইট গুলি একাধিক খনিজ দ্বারা তৈরি। বিশাল বায়ুমণ্ডলীয় বায়োয়ারসোল, প্রায় একশ মাইক্রন গড়ে পরিমাপ করা হয়।

২০০৮ সালে এই বায়োয়ারোসোলগুলি আবিষ্কার করা হলেও, বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন যে যে পদ্ধতি দ্বারা জীবাণুগুলি বায়ুমণ্ডলীয় আইবারুলাইট তৈরিতে জড়িত তা এখনও অজানা।

বর্তমান সমীক্ষায় গবেষকরা স্পেনের গ্রানাডা শহরে বায়ুমণ্ডলীয় ধুলিকণা জমার বিশ্লেষণ করেছেন।সেখানে তাঁরা দেখিয়েছেন যে এই সংক্রমিত ব্যাকটেরিয়ার চরিএ কিছুটা ভিন্নধর্মী ছিল। এর গঠনের মধ্যে প্রধানত কাদামাটি, কোয়ার্টজ এবং কার্বনেট খনিজ এবং লোহার অক্সাইডগুলি কিছুটা কম ছিল।

গবেষকদের মতে, এই অ্যারোসোলগুলি পুরো পৃথিবী জুড়ে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে সেই অঞ্চলগুলিতে এরা বেশি রয়েছে যেখানে মরু অঞ্চলগুলি থেকে ধুলো বয়ে যায়। ফলে সংক্রমণের বিস্তার আরও প্রসারিত করে তুলতে পারে এই ধরণের ক্ষতিকর জীবাণু গুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।