হাওড়া : ঘূর্ণিঝড় আমফানের থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল শিবপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেনের শতাব্দীপ্রাচীন বটগাছ। ঐতিহাসিক এই উদ্যানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এই মহা বটবৃক্ষ। আড়াইশো বছরের প্রাচীন এই বটগাছও এবার অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবার ওই বটগাছের ভেঙে যাওয়া অংশ প্রতিস্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হল।

প্রায় আড়াই শতক পেরনো গাছটির পরিধি ৩০০ মিটার। সুবিশাল বটগাছটি দেড় একর জমির উপর শত শত ঝুরি নিয়ে আজও বিরাজমান। সেই গর্বের বটবৃক্ষটির পুরনো অংশের ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বহু প্রাচীন গুঁড়ি, যা কার্যত কান্ডের চেহারা নিয়েছে, তার বেশ কয়েকটি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গার্ডেনের জয়েন্ট ডিরেক্টর কণাদ দাস বলেন, “প্রাচীন এই বটবৃক্ষের ক্ষতিগ্রস্ত অংশকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা চেষ্টা করছি। ভেঙে যাওয়া অংশের নিচে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে যাতে সোজা করে ধরে রাখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গাছের বেঁকে যাওয়া অংশকে সোজা করতে টান করে বেঁধে রাখা হচ্ছে। যে ডালগুলো বিভিন্নভাবে ভেঙে অন্য ডালের উপর পড়ে রয়েছে সেগুলিকে সরিয়ে জায়গাটিকে পরিষ্কার রাখা হয়েছে।

প্রায় ৪০টি প্রপ রুটের মধ্যে কয়েকটির ক্ষতি হয়েছিল। যেগুলি আমরা বাঁচানোর চেষ্টা করছি।” উল্লেখ্য, শুধু এই বটগাছই নয়, উদ্ভিদ উদ্যানের অনেক দেশি-বিদেশি মূল্যবান গাছই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ক্ষতির পরিমাণও বিপুল। উদ্যান কর্তৃপক্ষের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ ও বনমন্ত্রকের কাছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে আগেই বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে বলে গার্ডেন কর্তৃপক্ষ সূত্রের খবর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ