মুম্বইঃ ভারতীয়ে ক্রিকেটের অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং বলিউড অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন ২০১৭ এর ১১ ডিসেম্বর। গতবছর অনুষ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় তার মা হওয়ার খবরটি জানিয়েছিলেন। এই বছর ১১ জানুয়ারি বিরাট- অনুষ্কার ঘরে জন্ম নিয়েছে তাদের কন্যা ভামিকা। সদ্য বাবা মা হওয়ার পর বিরাট- অনুষ্কার জীবন একেবারেই বদলে গেছে। নিজের বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন বিরাট।

আইপিএল শুরু হওয়ার আগে ড্যানিশ সাইতের সঙ্গে একটি ইন্টারভিউতে বিরাট নিজের সদ্য বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন। প্রসঙ্গত, ড্যানিশ একজন ভারতীয় স্ট্যান্ড আপ কমিডিয়ান, টেলিভিশন হোস্ট, রেডিও জকি, অভিনেতা। ইন্টারভিউতে বিরাট বলেছেন, বাবা হওয়ার পর তার জীবনে মারাত্মক পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি অনুভব করেছেন একজন শিশু নিজের মায়ের পাশাপাশি বাবার উপরও যথেষ্ট নির্ভরশীল। বিরাটের কথায়, ‘জীবনের সব কিছুই মারাত্মকভাবে পাল্টে গেছে। আমাদের সমস্ত অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটেছে। একটা নতুন জীবন যে তার মায়ের পাশাপাশি বাবার উপরেও এতটা নির্ভরশীল তার খেয়াল রাখার জন্যে নিজেদের অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। আমি আর অনুষ্কা দুজনই খুব ভাল কাটাচ্ছি আমাদের এই সময়টা।

আরসিবি (RCB) অধিনায়ক বিরাট আরও বলেছেন, একজন শিশুর মুখের হাসি তার বাবা মায়ের কাছে সবচেয়ে আনন্দের। বিরাটের কথায়, ‘আমদের আগের সব অভিজ্ঞতার থেকে এটি একেবারে আলাদা। যা আমাদের জীবনকে একেবারে পরিবর্তিত করেছে। নিজের সন্তানের মুখের হাসি তোমায় কতটা সুখ দিতে পারে তা আমি কথায় প্রকাশ করতে পারব না। এই সময়টা আমাদের কাছে একটি আশীর্বাদের মত।’

ভামিকা জন্মানোর পরে অনুষ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোষ্ট করে নিজের খুশি জাহির করেছিলেন। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে বিরাট অনুষ্কা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। অনুষ্কা ছোট ভামিকাকে দুই হাত দিয়ে ধরে আছেন। দুজনের মুখেতেই প্রকাশ পাচ্ছে তাদের মনের খুশি। ছবির ক্যাপশনে অনুষ্কা লিখেছিলেন, ‘আমরা এত দিন একে অপরের উপস্থিতি, ভালবাসা, কৃতজ্ঞতা দিয়ে সংসার করেছি। কিন্তু এখন ভামিকা এসে আমদের জীবনকে অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের ঘুম অসম্পূর্ণ থাকে ঠিকই কিন্তু আমাদের হৃদয় একেবারে পরিপূর্ণ।’

অনুষ্কা জানিয়েছেন তার প্রযোজনায় পরের ছবি কোয়ালা আসতে চলেছে। ছবিটির টিজার বেরিয়ে গেছে। এই ছবিতে প্রয়াত ইরফান খানের ছেলে বাবিল খান ডেবিউ করছেন। এছাড়া রয়েছেন ‘বুলবুল’ খ্যাত তৃপ্তি দামড়ি ও স্বস্তিকা মুখার্জি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.