রায়পুর: স্কুলের হস্টেলেই সন্তানের জন্ম দিলেন একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী। ছত্তিসগড়ের দন্তেওয়াড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছে ছাত্রীটির পরিবার। ঘটনা নিয়ে বিশদে কিছুই বলতে রাজি হননি ছাত্রীর সহপাঠীরাও।

স্কুলের হস্টেলের মধ্যেই মৃত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী। ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ার পাতারাসের ঘটনা। পাতারাসের একটি স্কুলের হস্টেলে থাকতেন ওই ছাত্রী। দিন কয়েক আগে হস্টেলের ঘরেই একটি মৃত সন্তান প্রসব করেন ওই ছাত্রী। ঘটনা জানাজানি হতে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা হস্টেলে। ঘটনার খবর যায় স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছেও। তবে ওই তরুণী মৃত একটি সন্তান প্রসব করেন। যদিও শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তরুণীকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান স্কুলেরই কয়েকজন।

তড়িঘড়ি চিকিৎসকরাও পরীক্ষা করে দেখেন সদ্যোজাত ওই শিশুটিকে। শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এদিকে, ছাত্রীটিকে ওই হাসপাতালে ভরতি রাখা হয়। মৃত শিশুটিকে তরুণীর বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তরুণী আপাতত সুস্থ রয়েছেন। তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

এদিকে, ঘটনা প্রকাশ্যে এলে অস্বস্তিতে পড়ে যায় স্কুল কর্তৃপক্ষও। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ধন্দে রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে তরুণীর পরিবারও ঘোর অস্বস্তিতে পড়েছেন। প্রতিবেশী ও স্কুল কর্তৃপক্ষকে তাঁরা জানিয়েছেন মেয়ের কারও সঙ্গে মেলামেশা ছিল বলে তাঁরা জানতেন না। এমনকী মেয়ে নিজেও এব্যাপারে তাঁদের কোনওদিনই কিছু জানাননি। হঠাৎ করেই বিষয়টি এদিন জানতে পারেন তাঁরা।

অন্যদিকে, স্কুলের হস্টেলে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী সন্তানের জন্ম দেওয়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই স্কুলের পরিচালন সমিতির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ওই ছাত্রীটিকে সাসপেন্ড করা হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই একটি যুবকের সঙ্গে ওই তরুণীর গত ২ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একাধিকবার তরুণী ও তাঁর প্রেমিক শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তারই জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন ওই তরুণী।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প