স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ‘ফুচকা-ঝালমুড়ি’ সৌজন্য রাজ্য রাজনীতিতে সুবিদিত। এই নিয়ে জোর চর্চা হয়েছে। কিন্তু তাতে পাত্তা না দিয়ে ফের দিদি মমতার সঙ্গে ফুচকা-আলুকাবলি খেতে চাইলেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তবে সেটা মেট্রোর স্বার্থে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেয় বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। বাবুল সুপ্রিয়র উপর মেট্রো দেখভালের দায়িত্ব দেন তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, “কিছু জায়গায় জমি সমস্যা আছে। সেখানে রাজ্য সরকারের সাহায্য দরকার। আশা করব, সরকার সাহায্য করবে। ভালো সাহায্য পেলে বাকি মেট্রো প্রকল্পগুলি তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারব।” রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোর জন্য বলেন বাবুলকে।

সেইপ্রসঙ্গে এদিন বাবুল বলেন, মেট্রো প্রকল্পের জমি নিয়ে সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনি আবার যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী যদি তাঁকে নবান্নে সময় দিতে না পারেন, তাহলে ইকোপার্ক বা গাড়িতে মিটিং করতেও আপত্তি নেই তাঁর। ফুচকা বা আলুকাবলি খেয়ে ইকোপার্ক বা গাড়ি, যেকোনও জায়গায় মিটিং করতে প্রস্তুত তিনি। আরও বলেন, “ওনার ইগো হার্ট হলে উনি অনেকসময় সাহায্য করেন না। আশা করি এক্ষেত্রে এরকম কিছু হবে না। কারণ ইস্ট-ওয়েস্টের অনেক কাজ বাকি আছে।”

“নিমন্ত্রণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অসত্য বলছেন। বঞ্চনা কেন হবে? ওনারা তো কোনও মিটিংয়ে যান না, রিপোর্ট দেন না। তাহলে টাকা পাবেন কী করে? তবে যেসব ক্ষেত্রে টাকা পান, সেগুলোর কথা তো বলেন না। যেমন ইলেকট্রিক বাস যেগুলো চলছে, সেখানে ৬০ শতাংশ টাকা কেন্দ্রের।” ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর (East West Metro) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খবর তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে বিধানসভায় এদিন দুঃখপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বলেন, “তখন ইউপিএ সরকারে ছিলাম। কষ্ট লাগে। চোখের জল ফেলতে হয়েছিল প্রকল্পের টাকা জোগাড় করতে। আমার ছবির দরকার ছিল না। একটা খবর তো দিতে পারত।” তাঁর এই দাবির প্রেক্ষিতেই বাবুল সুপ্রিয়র (Babul Supriyo) পাল্টা দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যে বলছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেয় বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। বাবুল সুপ্রিয়র উপর মেট্রো (Kolkata Metro) দেখভালের দায়িত্ব দেন তিনি। ইস্ট-ওয়েস্টের উদ্বোধন মঞ্চে দাঁড়িয়ে পীযূষ গয়াল গতকাল বলেছিলেন, “কিছু জায়গায় জমি সমস্যা আছে। কিছু জায়গায় রাজ্য সরকারের সাহায্য দরকার। আশা করব, সরকার সাহায্য করবে। ভালো সাহায্য পেলে বাকি মেট্রো প্রকল্পগুলি তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারব।” রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোর জন্য বলেন বাবুলকে।

সেইপ্রসঙ্গে এদিন বাবুল বলেন, মেট্রো প্রকল্পের জমি নিয়ে সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনি আবার যাবেন। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী যদি তাঁকে নবান্নে সময় দিতে না পারেন, তাহলে ইকোপার্ক বা গাড়িতে মিটিং করতেও আপত্তি নেই তাঁর। ফুচকা বা আলুকাবলি খেয়ে ইকোপার্ক বা গাড়ি, যেকোনও জায়গায় মিটিং করতে প্রস্তুত তিনি। আরও বলেন, “ওনার ইগো হার্ট হলে উনি অনেকসময় সাহায্য করেন না। আশা করি এক্ষেত্রে এরকম কিছু হবে না। কারণ ইস্ট-ওয়েস্টের অনেক কাজ বাকি আছে।”

ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে বিধানসভায় এদিন দুঃখপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তখন ইউপিএ সরকারে ছিলাম। কষ্ট লাগে। চোখের জল ফেলতে হয়েছিল প্রকল্পের টাকা জোগাড় করতে। আমার ছবির দরকার ছিল না। একটা খবর তো দিতে পারত।” তাঁর এই দাবির পাল্টা দাবি করে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যে বলছেন। বাবুল বলেন, “নিমন্ত্রণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অসত্য বলছেন। বঞ্চনা কেন হবে? ওনারা তো কোনও মিটিংয়ে যান না, রিপোর্ট দেন না। তাহলে টাকা পাবেন কী করে? তবে যেসব ক্ষেত্রে টাকা পান, সেগুলোর কথা তো বলেন না।”

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা