স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খনি শিল্পাঞ্চলকে দূষণমুক্ত বনসৃজন করতে চান আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এরজন্য তাঁর মন্ত্রক থেকে দু কোটি টাকা দিতে আগ্রহী তিনি।টুইটারে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে সরাসরি সেই প্রস্তাব দিলেন বাবুল সুপ্রিয়।

কেন্দ্রীয় বনমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় তাঁর টুইটারে লেখেন, “আসানসোল কর্পোরেশনের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে অনুরোধ করব, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আসানসোলে ‘নগরবন’ বানানোর জন্য জায়গা নির্ধারিত করতে। যাতে আমি সত্বর ২ কোটি টাকা অনুদান আসানসোলের জন্য দ্রুত রিলিজ করতে পারি।”

এ নিয়ে মেয়রের প্রতিক্রিয়া, সরকারি কাজের প্রস্তাব টুইট করে দেওয়া হয় না। তবু তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে তা বিবেচনা করা হবে বলেও আশ্বাস মেয়রের।

জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, “আসানসোলের বেশিরভাগ পরিত্যক্ত জমি বা ভেস্টেট ল্যান্ড রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা রেল, ইসিএল ও সেইলের হাতে। ওই সংস্থাগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে আবেদন করব যেন ‘নগরবন’ প্রকল্পের জন্য তাঁরা জমি দেন। পাশাপাশি বাবুল বাবুকেও বলব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে তিনিও যেন ওই সংস্থাগুলিকেও জমির ব্যাপারে তদ্বির করেন।”

উল্লেখ্য, এই ‘নগরবন’ প্রকল্পে রাজ্যগুলির জন্য ২৩৬.৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যে ফান্ড দেওয়া হবে রাজ্যের বনমন্ত্রীর হাত ধরে। তার জন্য প্রয়োজন ১০.৫০ হেক্টর জমি। ২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে গাছ লাগানোর ফেন্সিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।

বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন, ৩১ আগস্টের মধ্যে নগরবন তৈরির আবেদন তথ্য সহকারে পাঠিয়ে দিতে হবে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রকে। তারপরেই অক্টোবর থেকে অর্থ মঞ্জুর করে কাজ শুরু হয়ে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।