স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়েও যে রাজনীতি করছে তাতে আমফানের থেকে বড় বিপর্যয় হতে চলেছে এ রাজ্যে। এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। সেই সঙ্গে জানালেন, তিনি তৃণমূলকে আর কোনওরকম সৌজন্য দেখবেন না।

বাবুল সুপ্রিয়র অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নিজে বলছেন, রাজনীতি করবেন না অথচ মানুষের দুর্ভোগের দিনেও ত্রাণ দেওয়া নিয়েও রাজনীতি করছে তৃণমূল। তিনি বলেন, “এনজিও হোক বা বিরোধী দল—বিপর্যয়ের সময়ে সরকারের সঙ্গেই উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। তাহলে এখন কেন এত বাধা! বিজেপি, সিপিএম বা কংগ্রেসের কর্মীদের ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার সামর্থ্য থাকলেও কেন তাঁদের বাধা দেওয়া হবে?”

বাবুল বলেন, “ বর্ষীয়ান বাম নেতা শ্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় সুন্দরবনের মাটিতে নেমে কাজ করছেন, মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে তো এই সময় কাজে লাগানো উচিত। তা না করে কেবল রাজনৈতিক কারণে কি তাঁকে বাধা দেওয়া উচিত?”

উল্লেখ্য, আমফানের তান্ডবের পর ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে বারুইপুরের দিকে যাওয়ার পথে গড়িয়ায় ঢালাই ব্রিজে বিজেপির রাজ্য সভাপতিদিলীপ ঘোষের গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। তার পরের দিনও তমলুকের রাস্তায় দিলীপ ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল।একই ভাবে বনগাঁয় স্থানীয় সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পথও আটকানো হয়।

বাবুলের অভিযোগ, বুলবুলের সময়ও ত্রাণ দিতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। শাসক দলের ভূমিকায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে বাবুল বলেন, “আমি বরাবরই মনে করি, বিরোধীরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তাঁরা শত্রু নন। তাই ব্যক্তিগত সম্পর্কে সৌজন্য দেখানোই দস্তুর। কিন্তু এখন ঠিক করেছি, যাঁরা দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছতে দেয় না, তাঁদের কোনও সৌজন্য দেখাব না।”

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।