নয়াদিল্লি: ২০০২ সালের গুজরাত হিংসায় অন্যতম অভিযুক্ত বাবু বজরঙ্গিকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে দেশের সর্বোচ আদালত।

২০০২ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাতের গোধরা এলাকায় সবরমতি এক্সপ্রেসে আগুন লাগিয়ে দেয় একদল দুষ্কৃতী। যার ফলে ওই ট্রেনে থাকা ৫৯ জন করসেবকের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গুজরাতের বিস্তীর্ণ এলাকা। গোষ্ঠী সংঘর্ষে বহু মানুষের প্রাণ যায়।

আরও পড়ুন- ডায়নামাইট বিস্ফোরণ করে উড়িয়ে দেওয়া হবে এই মোদীর বিলাসবহুল বাংলো

সেই ঘটনাতেই জড়িত ছিল বাবু বজরঙ্গি। যার আসল নাম বাবু ভাই প্যাটেল। বজরং দলের নেতা হওয়ার সুবাদে বাবু বজরঙ্গি নামে পরিচিতি পায়। ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদের নারোদা পাটিয়া এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপরে হামলা চালায় বজরং দল। সেই দলের নেতৃত্বদের মধ্যে অন্যতম ছিল এই বাবু বজরঙ্গি বলে অভিযোগ। ওই একই মামলায় বিজেপির প্রাক্তন মন্ত্রী মায়া কোদনানিকেও অভিযুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন- পুলওয়ামা থেকে বালাকোট, জাতীয়তাবাদী হাওয়াকেই কাজে লাগাতে চান অমিত শাহ

৯৭ জন মানুষের পারন যায় ওই এলাকায়। নারোদা পাটিয়া এলাকার ওই গোষ্ঠি সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বাবু বজরঙ্গি এবং মন্ত্রী মায়া কোদনানিকে। ওই ঘটনায় জড়িত মোট ৩০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে গুজরাত হাই কোর্ট বাবু বজরঙ্গির সাজা কমিয়ে ২১ বছর করে মন্ত্রী মায়াকে মুক্তি দেয়।

আরও পড়ুন- ১০ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি বাড়িয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় এগোলেন অম্বানি

২০১২ সাল থেকে সবরমতি জেলে ছিল বাবু বজরঙ্গি। শরিরে দেখা দিয়েছিল নানাবিধ সমস্যা। দৃষ্টিশক্তিও কমে এসেছিল। গত বছরের অক্টোবর মাসে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করে বাবু বজরঙ্গি। শারীরিক অসুস্থতাকেই যার প্রধান কারণ দেখানো হয়। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।