করাচি: করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত৷ প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা৷ সোমবার দেশে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৯১ জন৷ সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুর হার ক্রমশ বেড়েই চলেছে৷ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৮১২ জন৷ পজিটিভ কেসের সংখ্যা ২৮ লক্ষ ছাড়িয়েছে৷

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সংক্রমণের হার অতিমারী পর্বের মধ্যে সর্বোচ্চ৷ দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে করোনার চোখ রাঙানি দেখা যাচ্ছে৷ ব্যতিক্রম আন্দামান ও নিকোবর আইসল্যান্ড৷ সারা দেশে অক্সিজেনের হাহাকার৷ মৃত্যু মিছিল অব্যাহত৷ এই অবস্থায় ভারতবাসীদের আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা জানালেন প্রতিবেশি দেশের ক্রিকেট অধিনায়ক বাবর আজম৷

ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আজম তাঁর অফিসিয়াল টুইটরা হ্যান্ডেলে লেখেন,”Prayers with the people of India in these catastrophic times. It’s time to show solidarity and pray together. I also request all the people out there to strictly follow SOPs, as it’s for our safety only. Together we can do it. #StayStrong.”

এদিন ভারতে আইপিএল খেলা অজি ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স কোভিড যুদ্ধে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন৷ সোমবার নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নাইটদের জার্সি মাঠে নামার আগে ভারতের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘অক্সিজেন’ দেন অজি পেসার৷ কোভিড যুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে অক্সিজেন কেনার জন্য PM Cares Fund-এ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৩৮ লক্ষ টাকা অনুদান দেন কামিন্স৷

পাক অধিনায়ক প্রচুর ফ্যান রয়েছে ভারতে৷ সে জন্য প্রতিবেশি এই দেশের প্রতি একটা আলাদা টান রয়েছেন বাবরের৷ সম্প্রতি বাইশ গজে দারুণ ফর্ম রয়েছেন পাক অধিনায়ক৷ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি-২০ ম্যাচে বিরাট কোহলির রেকর্ড ভাঙেন বাবর৷ হারারে স্পোর্টস ক্লাবে তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২ হাজার রানের মাইলস্টোন স্পর্শ করেন বাবর৷ সেই সঙ্গে টপকে যান কোহলি৷ এতদিন কোহলি ছিলেন দ্রুততম ব্যাটস্যান৷ ৫৬টি ইনিংসে দু’হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন কোহলি৷ কিন্তু জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টি-২০ ম্যাচেই কোহলিকে টপকে গেলেন বাবর। মাত্র ৫২ বলে এই মাইলস্টোনে পৌঁছন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.