লন্ডন: ‘কাটাপ্পা নে বাহুবলী কো কিউ মারা?’ এই প্রশ্নেই একসময় আসমুদ্র হিমাচলে ঝড় তুলেছিল ‘বাহুবলী-দ্য বিগিনিং’। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে এসএস রাজামৌলি পরিচালিত দক্ষিনী এই ছবির ব্যাপ্তি সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল বিদেশেও। বিশ্বজুড়ে সিনেপ্রেমী মানুষদের কাছে সমাদৃত হয়েছিল প্রভাস, অনুষ্কা শেট্টি অভিনীত বাহুবলী। ভারতীয় ছবি হিসেবে দেশে এবং বিদেশে এক সে বাড়কর এক রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার পর দক্ষিনী এই ছবির ফ্র্যাঞ্চাইজির মুকুটে জুড়ে গেল নয়া পালক।

মুক্তির চার বছর পর শনিবার লন্ডনের রয়্যাল আলবার্ট হলে লাইভ প্রদর্শিত হল ‘বাহুবলী-দ্য বিগিনিং’। ১৪৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম নন-ইংলিশ ছবি হিসেবে যুক্তরাজ্যের অভিজাত থিয়েটারে দেখানো হল এসএস রাজামৌলি পরিচালিত এই ‘মাস্টারপিস’। মহিষমতী সাম্রাজ্যের উত্থান-পতনের বর্ণময় কাহিনী দেখে করতালি দিয়ে বাহুবলী’কে অভিবাদন জানালেন ব্রিটেনের সিনেপ্রেমী সাধারণ মানুষ। মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকতে লন্ডনের অ্যালবার্ট হলে শনিবার উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক রাজামৌলি, অভিনেতা প্রভাস-রানা ডাগুবতী, অভিনেত্রী অনুষ্কা শেট্টি স্বয়ং।

লন্ডন পৌঁছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির কলা-কুশলীদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে আগেই বার্তা দিয়েছিলেন পরিচালক। রাজামৌলি লিখেছিলেন, ‘লন্ডনে বাহুবলীর রয়্যাল রিইউনিয়ন। রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে আজকের সন্ধ্যায় বাহুবলীর দেখার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে মুখিয়ে রয়েছি।’ চলতি মাসের শুরুতে ছবির মুখ্য অভিনেতা প্রভাসও অনুরাগীদের গোটা বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত করেন। এদিন রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে ছবির স্ক্রিনিংয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে লাইভ অর্কেস্ট্রা পারফর্ম করেন ছবির মিউজিক ডিরেক্টর এমএম কীরাবানি এবং তাঁর টিম। যুক্তরাজ্যের অভিজাত থিয়েটার হলে ছবির প্রিমিয়রে যা এদিন আলাদা মাত্রা যোগ করে।

মনে করা হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম ছবি সফল স্ক্রিনিংয়ের পর পরবর্তীতে বাহুবলী ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় ছবি ‘বাহুবলী-দ্য কনক্লিউশন’ও স্ক্রিনিংয়ের বন্দোবস্ত করা হবে রয়্যাল অ্যালবার্ট হল কর্তৃপক্ষের তরফে। প্রথম নন-ইংলিশ ছবি হিসেবে বাহুবলীর এহেন সম্মানপ্রাপ্তি ভারতীয় সিনেমার জৌলুস যে এক লহমায় কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।