হায়দরাবাদ: আজীবন নির্বাসনের হাত থেকে আদালতে মুক্তি পেয়ে ফের ভারতীয় ক্রিকেটের মুলস্রোতে ফিরেছেন৷ কিন্তু বিশ সাল বাদেও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন বুঝে উঠতে পারেনি, কেন তাঁকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল৷

ম্যাচ-গড়াপেটার কারণে আজহারকে আজীবন নির্বাসিত করেছিল বিসিসিআই৷ কিন্তু আদালেতে নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন তিনি৷ ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে আজহারউদ্দিনকে বিসিসিআই আজীবন নির্বাসনে পাঠায়৷ তবে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে লড়াইয়ের পরে আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাসন প্রত্যাহার করার জন্য বোর্ডকে নির্দেশ দেয় অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট৷ ২০১২ সালে আদালত এটিকে “অবৈধ” বলে অভিহিত করে৷

ক্রিকেট পাকিস্তান ডটকমের ওয়েবসাইটে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে তার জীবনের অন্যতম কালতম পর্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আজহারউদ্দিন বলেন, ‘যা ঘটেছে তার জন্য আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। তবে আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও সত্যিই জানি না …৷’

প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, ‘… তবে আমি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আমি কৃতজ্ঞ যে ১২ বছর পর আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি৷ তারপর হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি৷ তারপর পরে আমি বিসিসিআইয়ের এজিএম-এ যোগ দিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট বোধ করেছি।’

আজহারউদ্দিন ৯৯টি টেস্ট খেলেছেন৷ ৪৫ গড়ে ৬১২৫ রান করেছেন। তিনি ৩৩৪ ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছেন৷ রান করেছেন ৯৩৭৮৷ ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার শুরু হয়েছিল অভিষেক টেস্ট থেকে ৩টি টানা সেঞ্চুরির করেছিলেন৷

২০১৯ সালে, রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তাঁর নামে একটি স্ট্যান্ড ছিল৷ এক বছর আগে ভারতের ম্যাচের আগে তিনি ইডেন গার্ডেনে ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন এবং ভারতের প্রথম গোলাপি বল টেস্টের সময় আইকনিক গ্রাউন্ডের চারপাশে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের গলফ কারে ঘুরেছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I