কলকাতা: আগামী ১০ জানুয়ারি (২০২১) শুরু হচ্ছে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ টুর্নামেন্ট। করোনা পরবর্তী সময় এদেশে ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম শুরু হচ্ছে মুস্তাক আলি টি২০ টুর্নামেন্ট দিয়েই। সেই টুর্নামেন্টেরই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে প্রশাসক হিসেবে রবিবার ইডেন গার্ডেন্স পরিদর্শনে এসেছিলেন মহম্মদ আজহারঊদ্দিন। করোনা পরবর্তী সময় দেশের প্রথম ঘরোয়া টুর্নামেন্টের জন্য কীভাবে সেজে উঠছে ক্রিকেটের নন্দনকানন, দেখে গেলেন হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।

ছুটির সকালে তাঁর প্রিয় ইডেন গার্ডেন্সে এসে দীর্ঘক্ষণ সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে আলোচনা সারেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক। টুর্নামেন্টের জন্য জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনী কীভাবে আরোপিত হবে কিংবা টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে ডালমিয়া-পুত্রের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হতে চলা মুস্তাক আলি টি২০ টুর্নামেন্টের নক-আউট পর্যায়ের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে আমেদাবাদের নবনির্মিত মোতেরা স্টেডিয়ামে। ২৬-২৭ জানুয়ারি কোয়ার্টার ফাইনাল, ২৯ জানুয়ারি সেমিফাইনাল এবং ৩১ জানুয়ারি মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে সেখানে।

পাঁচটি এলিট গ্রুপের ম্যাচের জন্য ভেন্যু হিসেবে বিসিসিআই কলকাতা সহ বেছে নিয়েছে বেঙ্গালুরু, ভদোদরা, ইন্দোর এবং মুম্বইকে। প্রত্যেকটি দলকে ২ জানুয়ারির মধ্যে পৌঁছতে হবে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে। বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষা করার পরে সুরক্ষা বলয়ে প্রবেশ করার অনুমতি পাবেন প্রত্যেক ক্রিকেটার ও অফিসিয়ালরা। ২ জানুয়ারি, শনিবার প্রতিটি দলকে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে হাজির হতে হবে৷ ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত৷ জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্ট শুরু তারিখ নির্দিষ্ট হলেও অনান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কখন শুরু হবে তা নিয়ে এখনও কোনও বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ৷

রঞ্জি ট্রফি ও বিজয় হজারে ট্রফি কবে হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এই প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বের শেষে জানানো হবে। শাহ জানিয়েছেন, ‘বিসিসিআই সদস্যদের কাছ থেকে নিয়মিত ফিডব্যাক নিয়ে পরবর্তী টুর্নামেন্ট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে৷ সম্ভবত জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের পর রঞ্জি ও বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর বিষয়টি জানান যাবে৷ মুস্তাক আলি জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্টের পরই হবে ২০২১ আইপিএলের নিলাম৷ সম্ভবত আইপিএলের চতুর্থদশ সংস্করণ হতে চলেছে ১০ দলের মধ্যে৷ যা আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.