Representative Picture
নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সম্প্রীতির দুর্গাপুজো ঘিরেও বাঁধল বিতর্ক। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ উঠল বেলেঘাটার ৩৩ পল্লিবাসী বৃন্দ-র পুজোর বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। গোটা ঘটনায় শোরগোল পড়েছে শহর জুড়ে।
 
তবে বেলেঘাটার ৩৩ পল্লিবাসী বৃন্দ-র দাবি, তাদের পুজোর এবারকার থিম ‘আমরা এক, একা নই।’। আর এই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ থিমের কারণেই মণ্ডপে এবার জায়গা পেয়েছে গির্জা, মসজিদ ও মাতৃ প্রতিমা। পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, কিছু মানুষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই বিতর্ক বাঁধানোর চেষ্টা করছে। তাঁদের দাবি, দুর্গাপুজোয় আজান বাজানোর দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভ্রান্ত।’ তবে এই থিম নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাঁদের দাবি, মণ্ডপের মধ্যে আজান বাজানোয় হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে।
 
৩৩ পল্লীবাসী বৃন্দের প্রায় ১০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নেতাজিনগর এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী শান্তনু সিংহ। এই পুজো ঘিরে রীতিমতো ঝড় বইছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। এই পুজোর অন্যতম কর্মকর্তা তৃনমূল কংগ্রেস নেতা পরেশ পাল। তাঁর নামেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এঘটনায় রীতিমতো উষ্মা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বিজেপি ও আরএসএস বাংলার সংস্কৃতি জানে না। তিনি বলেছেন বিজেপি,আরএসএস বাংলায় বিভাজনের রাজনীতি করছে।
 
উল্লেখ্য, এই পুজোর থিম যে শিল্পীর মাথায় এসেছে সেই রিন্টু দাসের বক্তব্য, আমাদের এবারকার থিম ‘আমরা এক, একা নই।’ সাম্প্রদায়িকতা ভুলে সকলে যেন সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ থাকে সে কথা মাথায় রেখেই দর্শনার্থীদের জন্য তুলে ধরা হয়েছে এই মণ্ডপ। উল্লেখ্য বিষয় হল, পুজোর থিম বিবেচনা করেই এবার প্রতিমার হাতে কোনও অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়নি। ‘মা’ এখানে সম্প্রীতি ও শান্তিদায়িনী।
 
পুলিশের তরফে অফিসিয়ালি ভাবে এই ঘটনায় কিছু জানানো হয়নি। তবে কলকাতা পুলিশ ঘটনার দিকে কড়া নজর রেখেছে বলে জানা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্যান্ডেল ঘিরে পোস্ট হওয়া যাবতীয় ভিডিওর দিকে নজর রাখছে সাইবার সেলের কর্মীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.