নয়াদিল্লি: শুক্রবার ফের হবে অযোধ্যা মামলার শুনানি। রাম জন্ভূমি ও বাবরি মসজিদ মামলার কী সমাধানবেরিয়ে আসবে, তার ইঙ্গিত মিলতে পারে শুক্রবার।

জানা গিয়েছে, এদিনের মামলায় রিপোর্ট দেবেন মধ্যস্থতাকারীরা। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ,এস এ ববদে, ড. ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ ও আব্দুল নাজির থাকবেন বিচারপতিদের বেঞ্চে।

এর আগে গত ৮ মার্চ, অযোধ্যা মামলায় শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতার নির্দেশ দেয়। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ছিলেন তিনজন। তিনজনকে নিয়েই তৈরি হয় এই বিশেষ প্যানেল। প্যানেলের মাথায় থাকবেন প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কালিফুল্লা। এছাড়া থাকবেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর ও শ্রীরাম পঞ্চু।

তিনজনের প্যানেলে ছিলেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর, শ্রীরাম পঞ্চু ও সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এফএম কালিফুল্লা। এই মধ্যস্থতার পুরো কাজটি হয় একেবারে গোপনে। সেখানে কোনও সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের অনুমতি ছিল না।

অযোধ্যার ২.৭৭ একর জমি জুড়েই এই বিতর্ক। যেখানে মুঘল সম্রাট বাবরের আমলে একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। সেটাই বাবরি মসজিদ নামে পরিচিত হয়। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি ছিল এই মন্দির আসলে রাম জন্মভূমির উপর তৈরি হওয়া প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের উপরেই তৈরি হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।