আমদাবাদ: অভিষেক টেস্টে চিপকে পাঁচ উইকেট নিয়েই নজির গড়েছিলেন। দিলীপ জোশীর পর দ্বিতীয় ভারতীয় স্পিনার এবং নবম ভারতীয় বোলার হিসেবে অভিষেক টেস্টে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন অক্ষর। আর মোতেরায় কেরিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে ১১ উইকেট নিয়ে পিঙ্ক বল টেস্টে এখনও অবধি সর্বাধিক উইকেটের মালিক হলেন গুজরাতি স্পিনার।

মোতেরায় তৃতীয় টেস্টে দু’ইনিংস মিলিয়ে ৭০ রান দিয়ে ১১ উইকেট নিলেন অক্ষর। এর আগে পিঙ্ক বল টেস্ট ম্যাচে সর্বাধিক উইকেটের নজির ছিল অজি ফাস্ট বোলার প্যাট কামিন্সের ঝুলিতে। ২০১৯-২০ ব্রিসবেনে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৬২ রান দিয়ে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। বুধবার প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ৬টি উইকেট তুলে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ইনিংসে বিপক্ষের ৫টি উইকেট তুলে নেন বাঁ-হাতি স্পিনার। সবমিলিয়ে কেরিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টেই অক্ষরের মুকুটে নয়া পালক।

উল্লেখ্য, বুধবার মোতেরায় বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কেরিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র ৩৮ রান খরচ করে ছ’ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অক্ষর৷ একইসঙ্গে তৃতীয় ভারতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দু’টি টেস্টে ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়ে নিসার ও হিরোয়ানির পাশে নিজের নাম লিখিয়ে ফেলেছিলেন তিনি৷ প্রথম দুই ভারতীয় বোলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন প্রাক্তন পেসার মহম্মদ নিসার এবং নরেন্দ্র হিরোয়ানি৷

অক্ষরের ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ১১২ রান গুটিয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ইনিংসেও সর্বাধিক ৫ উইকেট সংগ্রহ করেন অক্ষর প্যাটেল। এছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৪ উইকেটের সৌজন্যে স্কোরবোর্ডে তিন অঙ্কের রান তোলার আগেই এদিন গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক ২৫ রান করেন বেন স্টোকস। ব্রিটিশদের ৮১ রানে গুটিয়ে দেওয়ায় সিরিজে এগিয়ে যেতে ভারতের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৪৯ রান।

কোনও উইকেট না হারিয়েই ডিনার ব্রেকের পর সেই রান তুলে দেয় টিম ইন্ডিয়া। ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন রোহিত শর্মা। ১৫ রানে অপরাজিত থেকে যান শুভমন গিল। এই হারের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের আর কোনও সুযোগ রইল না ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে মোতেরায় শেষ টেস্টে ড্র করলেই ফাইনালের টিকিট উঠবে ভারতের হাতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।