আমদাবাদ: অভিষেক টেস্ট সিরিজে বল হাতে কামাল দেখালেন অক্ষর প্যাটেল৷ অভিষেক সিরিজে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি৷ পাশাপাশি মাত্র তিনটি টেস্টে চারবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয় নয়া নজির গড়লেন টিম ইন্ডিয়ার এই বাঁ-হাতি৷

চিপকে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেকেই নজর কেড়েছিলেন অক্ষর৷ তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ে দ্বিতীয় টেস্ট ৩১৭ রানে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল ভারত৷ ভারতের নবম বোলার হিসেবে টেস্ট অভিষেকে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছিলেন অক্ষর৷ ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন ভারতীয় দলের এই বাঁ-হাতি স্পিনার৷ একই সঙ্গে তাঁর আগে একমাত্র ভারতীয় বাঁ-হাতি স্পিনার হিসেবে অভিষেক টেস্টে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব ছিল দিলীপ দোশীর৷ ১৯৭৯ সালে চিপকেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি৷

শুধু অভিষেকে টেস্টেই নয়৷ কেরিয়ারে প্রথম তিনটি টেস্টে ইনিংসে চারবার পাঁচ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন তিনি৷ অর্থাৎ কেরিয়ারের প্রথম তিনটি টেস্টেই ইনিংসে পাঁচ উইকেটন নেন অক্ষর৷ সেই সঙ্গে বছর সাতাশের বাঁ-হাতি স্পিনার অভিষেক টেস্ট সিরিজে ২৭টি উইকেট নিয়ে দিলীপ জোশীর কৃতিত্বে ভাগ বসান৷ শনিবার মোতেরায় চতুর্থ টেস্টের তৃতীয় দিনে ডম বেসকে আউট করে রেকর্ড বুকে নাম তোলেন অক্ষর৷

এদিন অভিষেক টেস্ট সিরিজে সবচেয়ে উইকেটের মালিক ছিলেন জোশী৷ ১৯৭৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২৭টি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু সেটা ছিল ৬ টেস্টের সিরিজ৷ আর অক্ষর প্যাটেল তিনটি ম্যাচে ২৭টি উইকেট তুলে নেন৷ কেরিয়ারের প্রথম তিনটি টেস্টে চারবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে অভিষেক সিরিজে রেকর্ড গড়েন তিনি৷ এর আগে ১৯৮১ সালে অস্ট্রেলিরা টেরি অল্ডারম্যান এবং আর্থার মেইলে (১৯২০) এবং রডনি হগের থেকে মাত্র একটি উইকেট কম পান তিনি৷

সিরিজের শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৪৮ রান খরচ করে পাঁচ উইকেট তুলে নেন অক্ষর৷ বাকি পাঁচটি উইকেট নেন অশ্বিন৷ সেই সঙ্গে ইনিংসে ও ২৫ রানে হারিয়ে চার টেস্টের সিরিজে ৩-১ জিতে নেয় ভারত৷ সেই সঙ্গে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্টে চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেল টিম ইন্ডিয়া৷ ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.