আমদাবাদ: পিঙ্ক বল টেস্টে অক্ষর প্যাটেলের স্পিনে দিশেহারা ইংরেজরা৷ ঘূর্ণি পিচে একাই ইংল্যান্ড ইনিংসের ছ’ ব্যাটসম্যানদের প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান টিম ইন্ডিয়ার বাঁ-হাতি স্পিনার৷ অক্ষরের ছ’ উইকেটে সিরিজের তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১২ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। কেরিয়ারে প্রথম দু’টি টেস্টে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়ে নরেন্দ্র হিরোয়ানি ও মহম্মদ নিসারের নজিরে ভাগ বসান অক্ষর৷

চিপকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেকেই পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন অক্ষর৷ অভিষেকে দ্বিতীয় ভারতীয় স্পিনার হিসেবে নজির গড়েছিলেন বাঁ-হাতি এই গুজরাতি স্পিনার দিলীপ জোশীর পর দ্বিতীয় ভারতীয় স্পিনার এবং নবম ভারতীয় বোলার হিসেবে অভিষেক টেস্টে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন অক্ষর৷ আর বুধবার মোতেরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কেরিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র ৩৮ রান খরচ করে ছ’ উইকেট তুলে নিয়ে ফের নজির গড়েন অক্ষর৷ তৃতীয় ভারতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দু’টি টেস্টে ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়ে নিসার ও হিরোয়ানির পাশে নিজের নাম লিখে ফেললেন তিনি৷

প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন প্রাক্তন পেসার মহম্মদ নিসার৷ ১৯৩২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক ও তার পরের টেস্টে ইনিংস পাঁচটি করে উইকেট নিয়েছিলেন৷ তিনি৷ তবে তাঁর দু’টি টেস্টের মধ্যে ব্যবধান ছিল দেড় বছরের৷ প্রথম টেস্ট খেলেছিলেন জুন, ১৯৩২৷ আর দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি খেলেছিলেন ডিসেম্বর, ১৯৩৩৷ বছর সাতাশের বাঁ-হাতি স্পিনার অক্ষর অবশ্য মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন৷

দ্বিতীয় ভারতীয় বোলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন নরেন্দ্র হিরোয়ানি৷ তাঁর সল্প কেরিয়ারে অভিষেক টেস্টে ১৬টি উইকেট নিয়ে বিশ্বে সারা ফেলে দিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের এই স্পিনার৷ ১৯৮৮ সালে জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই ইনিংসেই আটটি করে উইকেট নিয়েছিলেন হিরোয়ানি৷ পরের
টেস্টটি খেলেছিলেন নভেম্বরে বেঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে৷ কিউয়িদের বিরুদ্ধে এই টেস্টে ৫৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন হিরোয়ানি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।