স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: ভারতবর্ষ নানা জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও মতের সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরেও বর্তমান সমাজে বিভিন্ন রাজ্যে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষের এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রসার ঘটেনি৷ ফলে এখনও ঘন অন্ধকারে পড়ে আছে এই জাতি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই রাজ্যের আদিবাসীদের উন্নয়ন অন্য রাজ্যগুলিকে পিছনের সারিতে দাঁড় করিয়েছে।

আদিবাসী সমাজের জন্য ভাষা স্বীকৃতির পাশাপাশি বিভিন্নভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে বর্তমান রাজ্য সরকার। জেলার পাশাপাশি প্রতিটা ব্লকে ব্লকে পিছিয়ে পরা আদিবাসীদের নিয়ে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ঋণদান ও নানা বিষয় নিয়ে আলোচনামূলক মেলা শুরু করেছে৷ অশোকনগর দিঘড়া মালিক বেড়িযা অঞ্চলের দক্ষিণ নপাড়া এলাকায় টুসু পুজো উপলক্ষে আয়োজন করা হল দিনভর নানা অনুষ্ঠানের। এলাকার আদিবাসী মেয়েদের কণ্ঠে সাদ্রি, কুরুক, অলচিকি ভাষার গানের সঙ্গে সঙ্গে নৃত্যানুষ্ঠানও হয়৷ পাশাপাশি ছিল আলোচনা সভা, তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা। এই এলাকার ৭০ টি পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ধামসা মাদলের তালে তালে সুদৃশ্য তীর ধনুক হাতে নিয়ে এলাকা পরিক্রমায় পা মেলালেন আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ।

এবারের পুজো ৪৫ বছরে পদার্পণ করল৷ মূলত পৌষ মাসের সংক্রান্তির দিনেই এলাকার ৭০ টি পরিবার মিলে এই টুসু পুজোর আয়োজন করে থাকে বলে জানান উদ্যোক্তারা। এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অশোকনগর বিধানসভার বিধায়ক ধীমান রায়৷ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ নপাড়া আদিবাসী জনকল্যাণ সমিতির সদস্যরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।