পূর্ব মেদিনীপুর: পকসো আইন এবং অন্যান্য শিশু সম্পর্কিত আইন নিয়ে একটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন হল মেদিনীপুরে৷ প্রিভেনশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেনসেস বা পকসো আইন ২০১২ সালে চালু হয়।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট এর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের কনফারেন্স হলে পকসো আইন এবং অন্যান্য শিশু সম্পর্কিত আইন নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল৷ সেখানে শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রয়োজন বলে জানালেন অভিজ্ঞরা৷

এই আলোচনাসভায় ছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন আদালতের বিচারক ও আইনি সহয়তা কেন্দ্রের কর্তাব্যক্তিদের৷ এছাড়া জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক, এনজিও, শিশু কল্যাণ সমিতি ও জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড এর সদস্য এবং জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের সকল আধিকারিক বৃন্দ হাজির ছিলেন৷ আইনের বিভিন্ন ধারা, উপধারা নিয়েও বক্তারা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন৷

পকসো অ্যাক্ট নিয়ে বলতে গিয়ে প্রথমে তারা বলেন যে এই অ্যাক্টটি একটি স্পেশাল অ্যাক্ট।এই অ্যাক্টের উদ্দেশ্য একদিকে যেমন অপরাধীদের শাস্তি বিধানের মাধ্যমে সমাজের অপরাধ করা থেকে বিরত করা। অপরদিকে নির্যাতিত/ নির্যাতিতাকে সঠিক যত্ন ও সুরক্ষা প্রদান করা৷ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এই মামলা বিশেষ আদালতে হয়ে থাকে। এটা একটা ভালো দিক। সে কারণে আর দশটা মামলার ভিড়ে এই মামলা হারিয়ে যায় না।

ফলে এই সকল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে থাকে।পকসো আইন চালু হওয়ার পরে এই সকল মামলায় বহু অপরাধীর সাজা পেয়েছে। সাজার সঙ্গে জরিমানাও হচ্ছে। এমনকী আইনে নির্যাতিতা পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যদিকে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পকসো আইন, শিশু পাচার সহ একাধিক বিষয়ে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে প্রস্তাব আসার পরপরই একাধিকবার বৈঠক করেছেন স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।