স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: নারী ও শিশু পাচার রুখতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনদের নিয়ে সচেতনতা শিবির করা হল৷ উপস্থিত ছিলেন, শিশু সুরক্ষা ইউনিট, আইনি পরামর্শ কর্তৃপক্ষ ও শক্তিবাহিনী৷ বুধবার জলপাইগুড়ি জেলা দায়রা আদালত চত্বরে একটি হল ঘরে সচেতনতা শিবিরটি অনুষ্ঠিত হয়৷

আরও পড়ুন- খড়দহে উদ্ধার তাজা বোমা, তদন্তে পুলিশ

জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের প্রোটেকশন অফিসার জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই জেলার চা বাগান, বিশেষত রুগ্ন এবং বন্ধ৷ তাই এই পরিবেশ নারী ও শিশু পাচারের আদর্শ জায়গা। কিন্তু চা বাগান, গ্রাম ও শহরের আর্থিক ভাবে দুর্বল পরিবারকে খোঁজার বিষয়ে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় ভিলেজ লেবেল চাইল্ড প্রোটেকশন কমিটিকে।”

আরও পড়ুন- ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ অভিষেক এবং অনুরাগের বিরুদ্ধে

একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের কোনও পরিবারকে খুঁজে বের করতে হবে৷ যাদের পরিবারে কোনও শিশু, কিশোর, কিশোরী বা যুবতি পাচার হতে পারে। সেই পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করে ডিসিপিইউ-তে পাঠাতে হবে৷ এই সমস্ত কিছু সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ও পঞ্চায়েত স্তরে শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা এই কাজ করবেন৷ পাশাপাশি সুসংহত শিশু সুরক্ষা প্রকল্পের মধ্যে এই পরিবারগুলিকে মাসিক দু’হাজার টাকা করে তিন বছর পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য করা হবে৷’’

আরও পড়ুন- নিখরচায় জিমের পর শহরবাসীকে নয়া উপহার পুরসভার

অন্যদিকে, জেলা আইনি পরামর্শ কর্তৃপক্ষের সচিব অস্মিতা সমাজদার বলেন, ‘‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ভিকটিম কমপেনশেসন স্কিম ২০১৭ সালে চালু হয়েছে৷ এই প্রকল্পে পাচার হয়েও উদ্ধার হয়ে আসা সেইসব কিশোর, কিশোরী, শিশুকে পুনর্বাসন প্রকল্পে ১ লক্ষ টাকা ও তারও বেশি পরিমাণ অর্থ এককালীন দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে৷ তাই বুধবার এই বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির সঙ্গে একটি সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হয়৷’’ সেই সঙ্গে শক্তি বাহিনী নামে সর্বভারতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরাও এদিন একই বক্তব্য রাখেন৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও