নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের দৌড় কতদূর, তা জানে ভারত৷ এমনই মন্তব্য ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের৷ বুধবার লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এক জবাবে এমনই জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷

সীতারমণ বলেন পরমাণু শক্তি কতটা বাড়াতে পারে পাকিস্তান, তার খোঁজ রাখে ভারত৷ এমনকী প্রতিবেশী দেশের ক্ষমতা সম্পর্কেও ভারত ওয়াকিবহাল বলে মন্তব্য করেন তিনি৷ এদিন লোকসভার অধিবেশনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান পাকিস্তান ধীরে ধীরে নিজের প্রতিরক্ষা মজবুত করার চেষ্টা করছে৷ তবে সেখবর ভারত খুব ভালো ভাবে জানে৷

পাকিস্তানের তুলনায় ভারত অনেক বেশি শক্তিশালী বলে জানিয়ে সীতারমণ বলেন এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ভারতের হাতে রয়েছে৷ তাই উদ্বেগের কোনও কারণ নেই৷ ভারত সবরকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷

পাকিস্তানের অস্ত্রসম্ভারের সংখ্যাবৃদ্ধির সব তথ্যই ভারত পায় বলে জানিয়েছেন নির্মলা সীতারমণ৷ জাতীয় সুরক্ষার সাথে ভারত কোনওদিনও আপোষ করেনি, করবেও না বলে এদিন মন্তব্য করেছেন তিনি৷

এরই সঙ্গে ভারতের ভূখণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হয় সীতারমণকে৷ তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে ভারত নিজের জমি কখনও হারিয়েছে? সেই প্রশ্নের উত্তরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, যে মন্ত্রকের প্রশ্ন, তাকেই সেই প্রশ্ন করা উচিত৷ এবিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রক কিছু বলতে পারবে না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.