কলকাতা: ভোটের মুখে বাংলার জন্য় আরও এক নতুন কৌশল অবলম্বন করতে চলেছে বিজেপি? অনেকেই এমন মনে করেছে। কারণ ভোটের মুখেই চলচ্চিত্র দুনিয়ায় এক নতুন পুরস্কারের কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। নতুন এই পুরস্কার হতে চলেছে সত্যজিৎ রায়ের নামে। সম্প্রতি এ কথা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় তথ‌্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর।

এনএফডিসির এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের একাধিক কলাকুশলী। ছিলেন, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, মমতা শঙ্কর, আবির চট্টোপাধ্যায়, তনুশ্রী চক্রবর্তী, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, পাওলি দাম, মহেন্দ্র সোনি, নিসপাল সিং রানে, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ‌্যায়, নন্দিতা রায়, অনীক দত্ত, অরিন্দম শীল, উস্তাদ রশিদ খান ও বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনেতা অভিনেত্রীরা। এছাড়া টলিউডের যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাঁরাও ছিলেন অনুষ্ঠানে। ভোটের মুখে সত্যজিৎ রায়ের নামে পুরস্কার ঘোষণা করায় এতে রাজনীতির গন্ধ পেয়েছেন অনেকে। কিন্তু বিজেপি নেতা ও গায়ক বাবুল সুপ্রিয় যদিও এই অনুষ্ঠানকে রাজনীতির সঙ্গে মেলাতে নারাজ।
সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায়ও এই পুরস্কার ঘোষণাকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাচ্ছেন না। তাঁর মতে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। কেন্দ্রের এই উদ্যোগে তাঁর সমর্থন ও ভাললাগার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত ভোটের মুখেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন টলিউডের একঝাঁক তারকা। কিছুদিন আগে দিল্লিতে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। ফিরে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন একাধিক তারকা বিজেপিতে যোগ দিতে ইচ্ছুক। তাঁর কথা সত্যি প্রমাণ করে কিছুদিন পরই বিজেপিতে যোগ দেন একাধিক টলি তারকা। পাপিয়া অধিকারি, সৌমিলি বিশ্বাস সহ টলিপাড়া একাধিক অভিনেতা অভিনেত্রী গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন সম্প্রতি। বিজেপিতে যোগ দেন টলিউডের প্রথম সারির নায়ক যশ দাশগুপ্তও।

বিজেপিতে যোগ দিয়ে যশ দাশগুপ্ত জানান, এই সিদ্ধান্ত তিনি হঠাৎ নেননি। বলেন, “বিজেপি এমন একটি দল যে সবসময় যুব সমাজকে সুযোগ দিয়েছে। যুব সমাজের উপর অনেকটা বিশ্বাস রেখেছে। তারা মনে করেছে যে যুবরা পরিবর্তন আনতে পারে। রাজনীতি শব্দটা এলেই আমরা ভাবি এটা খারাপ টার্ম। কিন্তু আমাদের সমাজে ছোট ছোট জিনিসে রাজনীতি কাজে আসে। বাড়িতে দুজন কাজের লোক থাকলেও তাদের মধ্যে রাজনীতি চলে কে তাদের মধ্যে প্রধান হবে। কিন্তু এটা রাজনীতি নয়। রাজনীতি মানে বদল। সিস্টেমের বাইরে থেকে কখনও এই পরিবর্তন আনা যায় না। যদি সিস্টেমের মধ্য়ে পরিবর্তন আনতে হয় হবে তার অংশ হতে হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.