স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকেই ক্রমাগত ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পড়াশুনার চাপ বা অফিসের বাড়তি দায়িত্ব নিজের দিকে খেয়াল রাখার সময়টুকুও নেই। জীবনযাপন হয়ে পড়েছে অনিয়ন্ত্রিত। এক ফাঁকে কলেজের ক্যান্টিনে ফিশ ফ্রাই কামড় বা অফিসের লাঞ্চ ব্রেকে অফিস সংলগ্ন দোকান থেকে পেটপুরে ফ্রায়েড রাইস চিলি চিকেন, আমাদের অনেকেরই রোজকার রুটিনে পরিণত হয়েছে। আর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আউটিং বা হাউজ পার্টি সবেতেই ভরসা বাইরের খাবার বা জাঙ্ক ফুড।

চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত এই জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যেস হতে পারে মারাত্বক। কারণ খাবারকে সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় করতে এতে অনেক সময় নানা রাসয়নিক ব্যবহার করা হয়। এবং সাম্প্রতিক অতীতে বাংলায় হওয়া ভাগাড় কান্ড তো চোখে আঙুল দিয়ে এইসব খাবারের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছে। নিয়মিত জাঙ্ক ফুড খেলে হতে পারে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ ইত্যাদি নানাবিধ শারীরিক সমস্যা। অনেক গবেষণায় উঠে এসেছে যে রোজ জাঙ্ক ফুড খেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আসুন দেখে নেওয়া যাক বিস্তারিত-

মস্তিষ্ক ও স্মৃতির সমস্যা: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা নিয়মিত জাঙ্ক ফুড খেলে মস্তিষ্কের নান সমস্যার পাশাপাশি স্মৃতি বিভ্রাটের সমস্যাও দেখা দেয়। প্রত্যেক দিন জাঙ্কফুড খেলে এতে উপস্থিত বিভিন্ন রাসয়নিক দেহে টক্সিন বৃদ্ধি করে, এবং আমাদের মস্তিস্কের প্রদাহ বৃদ্ধি করে। যার ফলে স্মৃতি বিভ্রাটের সম্ভাবনা থাকে।

ওজন বৃদ্ধি: জাঙ্ক ফুড রান্না করার সময় অনেক ক্ষেত্রেই নিম্ন মানের তেল ব্যবহার করা হয়। যা নিয়মিত খেলে অস্বাভাবিক হারে ওজন বৃদ্ধি পায় এর ফলে দেখা দেয় শারীরিক সমস্যা।

ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি: নিয়মিত জাঙ্ক ফুড খেলে তাতে উপস্থিত পদার্থ গুলি অনেক ক্ষেত্রেই অল্প বয়সীদের মধ্যেও ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও জাঙ্ক ফুডের ফলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

ডিপ্রেশনের কারণ: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত পরিমানে শর্করা ও তেল জাতীয় খাবার মস্তিষ্কের রাসয়নিক বিক্রিয়া কে পরিবর্তন করে যার ফলে আমাদের ব্রেন এই ধরনের খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এবার যদি সুস্বাস্থ্য লাভের তাগিদে কেউ হঠাৎ করে যদি জাঙ্ক ফুড খাওয়া বন্ধ করে দেন, ইচ্ছে হলেও জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলেন তখনই মানসিক অবসাদগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.