স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: হাথরসের ঘটনায় নরেন্দ্র মোদী চুপ কেন, এই প্রশ্ন তুলে টুইট করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খোঁচা দিয়ে অভিষেক বলেছেন, যদি আপনার মধ্যে কোনও মানবিকতা থাকে তাহলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।

অভিষেক টুইটারে লিখেছেন, “১৫ দিন লড়াইয়ের পর জীবন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে হাথরাসের নির্যাতিতা। এরপরেই মৃতদেহের অবমাননা করছে উত্তর প্রদেশ সরকার। অথচ হাথরাস নিয়ে নরেন্দ্র মোদী চুপ রয়েছেন।”

টানা ১৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মৃত্যু হয় দলিত পরিবারের ওই ১৯ বছরের তরুণীর। তার পর হাসপাতাল থেকে দেহ হাতে পাওয়া নিয়েও পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে মেয়েটির পরিবারের। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, আদিত্যনাথের পুলিশ রাতের অন্ধকারে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করে। এই ঘটনার নিন্দা করেছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ভারতের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আর সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে শেষকৃত্যের অধিকারটাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই কাজ খুবই আপত্তিজনক আর অন্যায়।

উল্লেখ্য, ১৪ সেপ্টেম্বর নিজের গ্রামেই একটি পরিত্যক্ত জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় ওই হাসরতের দলিত তরুণীর উপর। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত ও ক্ষত চিহ্ন ছিল। ঘটনার তিন দিনের মধ্যে মোট চারজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে তারা সমাজের উচ্চ বর্ণভুক্ত। আপাতত জেলে রয়েছে তারা।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘অপরাধীদের কোনও মতেই বরদাস্ত করা হবে না। ওই পাশবিককাণ্ডের তদন্তে সিট গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মদ্যে তারা রিপোর্ট পেশ করবে। দ্রুত বিচারের জন্য ফার্স্ট ট্রাক আদালতে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’হাথরস কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কথা হয়েছে। যোগীর দাবি, ঘটনায় অপরাধীদের কড়া শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন মোদী।

এদিকে, উত্তর প্রদেশের গণধর্ষণ নিয়ে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতি। মঙ্গলবার নির্যাতিতার মৃত্যুর পরই যোগী আদিত্যনাথের বিরোধিতা করে সুর চড়িয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।