স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মন্ত্রিত্ব থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দিতেই, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দলের মালদহ জেলার কোর কমিটিতে বৈঠকে ডাকলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।

আগামীকাল, শনিবার তৃণমূল ভবনে বৈঠকে হওয়ার কথা। ওই কোর কমিটিতে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে কোর কমিটির চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সভাপতি মৌসম বেনজির নুর, আছেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল, প্রাক্তন দুই মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী ও সাবিত্রী মিত্র।

এ ছাড়া তিনজন কো-অর্ডিনেটর দুলালচন্দ্র সরকার, অম্লান ভাদুড়ী ও মানব বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আট সদস্যকেই জরুরি ভিত্তিতে তলব করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই জরুরি তলব? রাজনৈতিক মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন মালদহে দলের তরফে পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মালদহেও শুভেন্দুর অনেক অনুগামী রয়েছেন। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ একাধিক সদস্য শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। গত রবিবার সকাল থেকে মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড় , রবীন্দ্র এভিনিউ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘আমরা দাদার অনুগামী’ বলে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ঝুলতে দেখা যায়।

তাতে লেখা ছিল, “তোমার মতেই মত, তোমার পথেই পথ”। যার নাম দিয়ে এই ফ্লেক্স ঝুলানো হয়েছে তিনি প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই তৃণমূল শিবিরে আর দেখা যায়নি তাঁকে।

যদিও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের ক্ষমতাসীনরা।শুভেন্দুর সমর্থনে ফ্লেক্সকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও শুভেন্দুর অনুগামীরা এখন জেলা রাজনীতিতে কি অবস্থান নেন সেদিকে চোখ রয়েছে দলের। এছাড়াও, কংগ্রেস ছেড়ে মৌসম বেনজির নুরকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ানোর ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শুভেন্দু।

শুধু তাই নয়, মালদহ জেলা পরিষদ দখলের ক্ষেত্রেও শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ফলে এই মুহূর্তে মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটিকে তলব করা রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও এই বিষয়ে কেউই কোনও মন্তব্য করতে নারাজ।

এদিকে, সূত্রের খবর, জেলা তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্বের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী ও ঘনিষ্ঠদের। শীঘ্রই জেলার অনুগামীদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠকের সম্ভাবনা প্রবল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।