নয়াদিল্লি: আতঙ্কের আরেক নাম নোভেল করোনা ভাইরাস। মারণ ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে রবিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ‘জনতা কার্ফু’। বিশ্ব মহামারীর আকার নেওয়া COVID19 রুখতে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভাবেই গ্রহণ করেছেন দেশের মানুষ। সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা ১৪ ঘন্টা অবধি দেশের মানুষকে ঘরে থাকার যে আহ্বান জানিয়েছিলেন নমো। প্রথম কয়েকঘন্টার চিত্র বলে দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সেই উদ্যোগ সফল।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। করোনা রুখতে দেশের মানুষকে এমনই এককাট্টা হয়ে লড়াই করতে হবে আগামি দিনগুলোতেও। ‘জনতা কার্ফু’ যেন জারি থাকে আগামী দিনগুলোতেও। রবিবার ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ জারি থাকবে আগামিদিনেও, আশাবাদী ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিঙ্গার স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। মাইকোব্লগিং সাইটে ‘জনতা কার্ফু’ দারুণ সাড়া পাওয়ার পর একটি টুইট করেছেন অশ্বিন। সেখানেই আগামি দিনগুলোতেও এমন উদ্যোগ জারি রাখার আর্জি জানিয়েছেন দক্ষিণী স্পিনার।

টুইটারে অশ্বিন লিখেছেন, ‘দারুণভাবে শুরু হল #জনতা কার্ফু। স্কুলের মতোই রাস্তাঘাটে পিন ড্রপ সাইলেন্স। আশা করি আজকের পরেও এমন সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় থাকবে।’ আসলে ‘জনতা কার্ফু’ সারা দেশে কেমন সাড়া ফেলে, তার উপর ভিত্তি করেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে দেশ, এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

নজির গড়ে মোদীর জনতা কার্ফু’র সমথর্নে দেশের বিভিন্ন ব্যস্ত শহরের ছবিটা রবিবার সকাল থেকেই ভিন্ন। কলকাতা থেকে দিল্লি, চেন্নাই থেকে মুম্বই অনান্য রবিবারের সকালের থেকেও ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। রাস্তাঘাট শুনশান। কোনও কোনও রাস্তা পুলিশ টহল দিচ্ছে। এর আগে দেশ সাক্ষী থেকে অগণিত ভারত বনর্ধের। এমনকি বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত সাক্ষী থেকে কার্ফুর। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় এদিন প্রধানমন্ত্রীর জনতা কার্ফুতে কার্যত স্তব্ধ দেশের মেট্রো শহরগুলি।

অশ্বিনের মতো ‘জনতা কার্ফু’র সাফল্য ধরে রেখে আগামী ১৪দিন যেন জারি থাকে এমন অবস্থা। জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া। কার্যত স্তব্ধ মুম্বইয়ের বান্দ্রা-বোরলি সি লিঙ্ক। জনমানবশূন্য সেই সি লিঙ্কের একটি ভিডিও টুইটারে পোস্ট করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর কোচ মাইক হেসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.