নয়াদিল্লি: দেশের নয় রাজ্যে পোলট্রির জন্য বার্ড ফ্লু নিশ্চিত করল কেন্দ্র সরকার। একই সঙ্গে ২৪ জানুয়ারি অবধি কাক, অভিবাসী এবং বন্য পাখির জন্য ১২ টি রাজ্যে বার্ড ফ্লু নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৎস্য, পশুপালন ও গবাদিপশু মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি অবধি পোলট্রি বার্ডের ক্ষেত্রে নয়টি রাজ্যে (কেরল, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ এবং পঞ্জাব) এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার (বার্ড ফ্লু) প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গেছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, হিমাচল প্রদেশ, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, রাজস্থান, জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাব সহ অন্য মোট ১২ টি রাজ্যে কাক, অভিবাসী এবং বন্য পাখির ব্যাপারে বার্ড ফ্লু নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “মহারাষ্ট্রের ইয়াবাটমাল জেলার সাভারগাঁও এবং উজনা দরভা থেকে হাঁস-মুরগির নমুনায় এবং দিল্লির জামিয়া হামদার্দ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাকের নমুনায় অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা নিশ্চিত করা হয়েছে।” একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, তেহারি এবং পাখাল ফরেস্ট রেঞ্জ থেকে পাওয়া পায়রা ও রোজফিঞ্চ-এর ক্ষেত্রে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে বার্জ ফ্লু আতঙ্ক এখন জেঁকে বসেছে উত্তর ভারতে। যাতে এই রোগ বেশি ছড়াতে না পারে তাই পাঞ্জাবের মোহালিতে দুটি পোল্ট্রি ফার্মের প্রায় ৫৩ হাজার পাখিকে মেরে ফেলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ভারত সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংক্রামিত খামারের এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত পোল্ট্রি ফার্মের পাখিদের মেরে ফেলতে হবে।

বার্ড ফ্লুর আতঙ্ক কেড়ে নিয়েছে লালকেল্লায় প্রদেশের অনুমতি। দিল্লিতে থাবা বসিয়েছে বার্ড ফ্লু। বাদ যায়নি লালকেল্লা চত্বর। সেখানে সম্প্রতি বেশকিছু কাকের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে তার শরীরে বাসা বেঁধেছে বার্ড ফ্লু। ফলে প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় প্রবেশ পর্যটকদের জন্য নিষিদ্ধ।

দিল্লি সরকারের পশুপালন বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে লালকেল্লা চত্বরে ১৫টি কাকের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ও তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় পঞ্জাবের জলন্ধরের নদার্ন রিজিওনাল ডিজিজ ডায়াগোন্যাস্টিক ল্যাবরেটরিতে।

পরীক্ষায় দেখা যায় ওই ১৫টি কাকই বার্ড ফ্লুয়ের শিকার হয়েছিল। পশুপালন বিভাগের এক সিনিয়র অফিসার জানিয়েছেন, ওই পাখিগুলির একটির শরীরে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তাই সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই স্মৃতিসৌধের চত্বরে কোনও পর্যটককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।