জলপাইগুড়ি : ২০১৪ সাল থেকে বিজেপি আপনাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিজেপির (BJP ) হাতে টাকা আছে। তাই বিজেপি (BJP ) টাকা দিতে চাইলে নিয়ে নিন। আর ভোট দিন জোড়া ফুলে। ২০১৪ থেকে যে বিশ্বাসঘাতকতা বিজেপি (BJP) করেছে আপনাদের সঙ্গে, তার বদলা দিন। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটার ইউরোপিয়ান ক্লাব ময়দানের সভা থেকে এখানকার মানুষদের এই বার্তায় দিলেন তৃণমূল যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়য় (Avishek Bandyopadhyay)।

তবে এদিন তিনি এর পাশাপাশি বললেন, “আপনারা আপনাদের ভোট কাকে দেবেন সেটা আপনারাই ঠিক করবেন। কিন্তু আমি বলে যাই, তৃণমূল আপানাদের পাশে থাকবে।” ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamul Congress ) ভরাডুবি হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে সেই দিকে তাকিয়েই এই আবেগের বার্তা নাগরাকাটার মানুষের দিকে ছুড়ে দিয়েছেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২০১৪ সালে বিজেপি বলেছিল বছরে ২ কোটি মানুষের চাকরি দেবে, দিয়েছে? বলেছিলো সবার ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে দিয়েছে?” এই সময় জনতার সভায় উপস্থিত জনতার তরফে উত্তর আসে না। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবার প্রশ্ন করেন, “আপনারা স্বাস্থ্যসাথী পেয়েছেন? কন্যাশ্রী পেয়েছেন? চা সুন্দরী পেয়েছেন?” আবার উপস্থিত জনতার তরফ থেকে উত্তর আসে হ্যাঁ।

এর পর অভিষেক বলেন, “বিজেপি-র অনেক টাকা। তৃণমূলের সঙ্গে আছে অগণিত জনতা। আমি বলছি বিজেপি টাকা দিতে আসলে নিয়ে নিন। ভোট দিন জোড়া ফুলে। ২০১৪ সাল থেকে আপনাদের সঙ্গে যে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে তার জবাব দিন।” এই সময় জনতার তরফে বলতে শোনা যায়, “আমরা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারবো না।”

এর পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দেখুন বাংলার মানুষের, নাগরাকাটার মানুষের সম্মানবোধ। এরা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারবেন না বলে বলছেন। আর এই বাংলার কৃষকদের অমিত শাহ ( Amit Shah ) বলছেন বিজেপিকে জেতালে ১৮ হাজার টাকা করে তাদের ব্যাঙ্কে দেয়া হবে। বাংলার মানুষকে, তাঁদের সম্মানকে এভভাবেই অমিত শাহর দল বিজেপি কিনতে চাইছে।”

তৃণমূল (Trinamul Congress ) ছেড়ে যারা বিজেপিতে গেছে এদিন অভিষেক তাঁদের চোর, ডাকাত বলে গালমন্দ করেন। বলেন, “আমাদের পচাগুলো চলে গেছে। যারা চলে গেছে ভালো হয়েছে। চোর, ডাকাত বেরিয়ে গেছে। বাঁচা গেছে। আমরা লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছি।আমাদের সঙ্গে জনতা আছে, তাঁরাই সময়মতো ওদের জবাব দেবেন।”

উন্নয়নের প্রশ্নে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “নরেন্দ্র মোদী নিজেকে চা বিক্রেতা বলে পরিচয়ই দেন। বলুনতো এখানকার চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বিজেপি কী করেছে? এই যে করোনা হলো , এতগুলো সংসদ তো এখানে জিতেছেন , কারোর দেখা পেয়েছেন সেই সময়? আমি বলে যাচ্ছি, আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে জোড়া ফুলে ভোট দিন। আগামী পাঁচ বছর আপনাদের উন্নয়নরর দায়িত্ব আমার। বিজেপি বলছে সোনার বাংলা বানাবে। ওরা আগে সোনার দিল্লি, সোনার গুজরাট, সোনার হরিয়ানা বানিয়ে দেখাক।দিলীপ ঘোষ বলে না গরুর দুধে সোনা আছে, সেই সোনা দিয়ে সোনার বাংলা বানাবে? “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।