মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবার খতিয়ে দেখল সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও। এবং সেখান থেকেই প্রকাশ্যে আসছে যে এর মধ্যে মুম্বই পুলিশের অনেক গাফিলতি রয়ে গিয়েছে। এমনকী জানা যাচ্ছে দিশার মৃত্যুর দু’দিন পরে হয়েছে ময়নাতদন্ত। টাইমস নাও এর প্রতিবেদন থেকে এমনই জানা যাচ্ছে।

মুম্বই পুলিশ জানায় মালাডে নিজের বাড়ির ১৪ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন দিশা। ঘটনাটি ঘটে সুশান্তের মৃত্যুর ৬ দিন আগে অর্থাৎ ৮ জুন।আর সেই জন্যই দুটি মৃত্যুর মধ্যে কোনও যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে।

৪ অগাস্ট মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্যসভার সদস্য নারায়ন রানে এক সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন সুশান্ত এবং দিশা দু’জনকেই খুন করা হয়েছে। তিনি এই দাবিও করেন যে ৮ জুন রাতে ২৫ বছর বয়সি দিশাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এর পরেই টাইমস নাও দিশার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং আরো কিছু তথ্য খতিয়ে দেখে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে দিশার মাথায় এবং শরীরে বেশ কয়েকটি অস্বাভাবিক চোট রয়েছে। এই তথ্যগুলি খতিয়ে দেখার পর দিশার মামলায় মুম্বাই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী-

১) যেখানে দিশার মৃত্যু হয়েছিল সেই ঘটনাস্থলে কোনও রকম পরীক্ষা করার জন্য কোনও ফরেনসিক টিম পাঠানো হয়নি।

২) ময়নাতদন্ত করতে দুদিন দেরি হল কেন?

৩) কেন দিশার পোশাককে সংরক্ষণ করে রাখা হলো না আগামীতে কোনো পরীক্ষার জন্য?

৪) কেন তাঁর নখের কোনও অংশ রাখা হলো না?

৫) ময়না তদন্তের চারদিন পর কেন দিশার ফোন ডাটা খতিয়ে দেখার জন্য পাঠানো হলো। সেই রিপোর্ট এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা