কলকাতা: বাংলা ছবির দুনিয়ায় অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তীর অবদান নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না। ১৯৫৮ সালে ভানু পেল লটারি ছবি থেকে অভিনয় শুরু করেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত সাঁঝবাতি

ছবিতেও তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। কিন্তু কেমন ছিল তাঁর যাত্রাপথ। তা-ই জানা যাবে সম্প্রতি প্রকাশিত অটোবায়োগ্রাফি আমি লিলি থেকে।

গত ২২ জানুয়ারি সাউথ সিটি মলের স্টারমার্ক বুকস্টোরে লিলি চক্রবর্তীর এই বইটি প্রকাশিত হল। সপ্তর্ষি প্রকাশনের এই বইয়ের সম্পাদনা করেছেন দীপঙ্কর ভট্টাচার্য ও অময় দেব রায়। অভিনেত্রী অভিনয় জগতের

বিভিন্ন মুহূর্তে স্মৃতি রোমন্থন করেছেন এই বইতে। বিশেষ করে মহানায়ক উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা আমি লিলি-তে উঠে এসেছে। অভিনেত্রীদের সঙ্গেও কেমন অভিজ্ঞতা ছিল, তারও স্মৃতিচারণ করেছেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী।

হিন্দি ছবি ও টেলিভিশন জগতের নানা কথা উঠে এসেছে এই বইতে। লিলি চক্রবর্তী এখনও বিভিন্ন ছবি ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। সেখানকার অভিজ্ঞতাও জড়িয়ে রয়েছে অভিনেত্রীর অটোবায়োগ্রাফিতে।

এদিন বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রযোজক-চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় বলছেন, লিলি আন্টি আমাদের সকলের। বইটি পড়লে আমরা পুরনো

দিনের অনেক কথা জানতে পারব যা আমাদের মত অভিনেতাদের সমৃদ্ধ করবে। প্রসেনজিৎ সম্পর্কেও এদিন লিলি চক্রবর্তী বলেন, উত্তমকুমার চলে যাবার পর আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বুম্বাই তখন এগিয়ে এসেছিল। আমি তাই ওর কাছে কৃতজ্ঞ।

বই সম্পর্কে বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর কথায়, বহুদিন ধরে এই বইয়ের কাজ চলছে। আপনারা বইটি পড়লে আমার ভাল লাগবে।