মেলবোর্ন: ভারতের কাছে টেস্ট সিরিজ হেরে সমালোচিত হয়েছেন অজি অধিনায়ক টিম পেইন৷ ‘ব্যাগি গ্রিন’ অধিনায়ক এখন ‘ওয়াটার বয়’৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় অজি অধিনায়কের ওয়াটার বয়ের ছবি ট্রোলড হয়েছে৷ ভারতের সেকেন্ড টিমের কাছে হারের পর এমনই ‘অপমান’ কার্যত সইতে হচ্ছে নেতা পেইনকে।

ভারতের কাছে সিরিজ হারের লজ্জা মাথায় নিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেতে নেমেছে পেইন৷ বিগ ব্যাশ লিগে মেলবোর্নে হোবার্ট হ্যারিকেন্স ও সিডনি সিক্সার্স ম্যাচে মাঠে নামেন পেইন৷ তবে হোবার্ট হ্যারিকেন একাদশে ঠাঁই হয়নি পেইনের৷ ওয়াটার বয় হিসেবে মাঠে নামেন তিনি৷ অজি টেস্ট অধিনায়কে এই ম্যাচে বিশ্রামে দেওয়া হয়েছিল, না একাদশে রাখা হয়নি তা অবশ্য জানা যায়নি৷

সদ্য ভারতের বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজে ১-২ হেরেছে অস্ট্রেলিয়া৷ গাব্বায় শেষ টেস্ট হেরে সিরিজ হাতছাড়া হয় অজিদের৷ একই সঙ্গে গাব্বায় ৩২ বছর পর প্রথম টেস্ট হারে অস্ট্রেলিয়া৷ রেকর্ড ৩২৮ রান তাড়া করে অস্ট্রেলিয়াকে হারায় ভারত৷ এর আগে কোনও দল গাব্বায় আড়াইশো রান তাড়া করেও জেতেনি৷ ভারতের আগে ব্রিসবেনে চতুর্থ ইনিংসে সর্বাধিক ২৩৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ পেইনের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার টানা দু’বার ঘরের মাঠে ভারতের কাছে হারে৷ ২০১৮-১৯ অস্ট্রেলিয়া সফরে পেইনের অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল কোহলির ভারত৷

ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের পর অস্ট্রেলিয়ার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যালেঞ্জ। তার আগে জাতীয় দলের সমস্ত ক্রিকেটার বিগ ব্যাশ লিগে খেলছেন। টিম পেইনও যোগ দিয়েছেন তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি হোবার্ট হ্যারিকেন্স দলে। তবে হোবার্টের প্রথম একাদশে পেইন অটোমেটিক চয়েস নন। স্কোয়াডে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি।

পেইন বিগ ব্যাশের প্রথম একাদশে সুযোগ না-পেলেও ম্যাথু ওয়েড এবং মোজেস হেনরিক্সকে দেখা গেল তাঁদের দলের হয়ে খেলতে৷ ওয়েড জাতীয় দলের হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট খেললেও হেনরিক্স ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। সিডনির হয়ে হেনরিক্স চার নম্বরে ব্যাট করতেও নামলেন। ওয়েড আবার হোবার্টের দলে পেইনের সতীর্থ। তিনি হোবার্টের জার্সিতে নেমেই ৪৪ বলে ৮৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন। মঙ্গলবার হোবার্ট খেলতে নামবে মেলবোর্ন রেনেগ্রাডসের হয়ে। এই ম্যাচে পেইন দলে জায়গা পান কিনা, সেটাই এখন দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।