সিডনি: লাদাখ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে চিনের সংঘর্ষের রূপ দেখে আতঙ্কিত বিশ্বের বহু দেশ। এবার সেরকমই চাপ তৈরি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং চিনের মধ্যেও।

যদি অস্ট্রেলিয়া থেকে কোন নাগরিক চিনে যান তাহলে তাঁরা আটক হতে পারেন এমন আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার তরফে। এমন ভয় গ্রাস করছে দেশবাসীর। মনে করা হচ্ছে চাপ দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে দুই দেশের মধ্যে।

অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি সতর্কতাস্বরূপ একটি ট্র্যাভেল অ্যাডভাইসরি জারি করে হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, চিনা কর্তৃপক্ষ জাতীয় নিরাপত্তাকে লঙ্ঘন করার জন্য বহু বিদেশিদের আটক করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার তরফে ইতিমধ্যেই নাগরিকদের জানানো হয়েছে, করোনা ভাইরাস বিশ্বমহামারির জন্য ইন্টারন্যাশনাল ট্র্যাভেল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনির্দিষ্টকালের জন্য আটক রাকাহ হতে পারে।

কিছু মাস থেকেই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক পার্টনার চিনের ন্সগে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের উপর শুল্কবৃদ্ধি করা হয়েছে। কিছুদিন আগে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সরকারিক্ষেত্রের পাশাপাশি বেসরকারিক্ষেত্রেও সুরক্ষা লঙ্ঘন হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

এই হামলায় টার্গেট করা হয়েছিল, সরকারিক্ষেত্রের সব পর্যায়, রাজনৈতিক সংস্থা, পরিকাঠামোর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সার্ভিস এবং অপারেটর, ক্যানবেরায় সংবাদম্যধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন মরিশন। সাইবার হামলার ধরণ থেকে বোঝা যাচ্ছে, এই ঘটনা নিশ্চিতভাবে “সফিসটিকেটেড স্টেট-বেসড সাইবার অ্যাক্টর”।

১৯৯০ সাল থেকেই চিন নিজেদের সাইবার স্পেস ডকট্রিন তৈরির চেষ্টা করছে। ২০০৯ সালের ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার মনিটর রিপোর্ট ‘ট্র্যাকিং ঘোস্টনেট’ অনুযায়ী, তদন্তের পর দেখা গিয়েছে, ১৯৯০ সালের শেষের দিক থেকে সাইবার স্পেস ডকট্রিন তৈরির চেষ্টা করছে চিন যা চিন সেনার আধুনিকীকরণের অংশ।

পাশাপাশি, চাইনিজ হ্যাকারদের দুষে জানিয়েছে ‘বিদেশি সরকারের কম্পিউটার এবং বানিজ্যিক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্যচুরি করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ান সরকারের কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে, উঠে এসেছে এমন তথ্য।

২০১৪ সালের মে মাসে আমেরিকার কমার্শিয়াল সংস্থা থেকে ব্যবসা সংক্রান্ত গোপন তথ্য এবং ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি চুরির অভিযোগে ৬১৩৯৮ ইউনিটের পাঁচ অফিসারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে। শুধু তাই নয় তথ্যচুরির পরে সেখানে ম্যালওয়ার ইন্সস্টল করে দেওয়া হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ