সিডনি: অস্ট্রেলিয়ায় মেরে ফেলা হচ্ছে ১০ হাজার উটকে। অত্যাধিক মাত্রায় জলপান করার ফলেই এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে এলাকার প্রশাসন।

আর এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ভাড়া করা হয়েছে পেশাদার শিকারীদেরও। তারপরও এই উট হত্যায় সময় লাগবে প্রায় ৫ দিন। এক আদিবাসী নেতার পক্ষ থেকে এই নির্দেশ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এওয়াইপির এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁদের এলাকায় জলের খুবই অভাব। কিন্তু বন্য উটগুলি জলের সন্ধানে এসে একাধিকবার তাঁদের ঘর বাড়ি ভেঙে দেয়। এয়ার কন্ডিশন ভেঙে দেয়। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার আনাঙ্গু পিতজানজাতজারা ইয়াঙ্কুনিজাতজারা জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ৫ দিনের মধ্যে উটগুলিকে গুলি করে মারা হবে।

এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই এলাকায় উটের সংখ্যা এত বেড়ে গিয়েছিল যে, লোকালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। তিনি জানান, একদিকে জলের অভাবে উট লোকালয়ে হামলা চালাচ্ছে, জল না পেয়ে তাঁরা মারা যাচ্ছে। আবার একই ভাবে জল খেতে গিয়ে হুড়োহুড়ি করে পদপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হচ্ছে উটের। সেই কারণে এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন – যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি মার্কিন সেনা: ট্রাম্প

আবার উটের নির্গত বর্জ্র পদার্থও পরিবেশে মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়িয়ে দিচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইড -এর মতো পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর গ্যাস। সেই কারণেও উটগুলিকে মারা জরুরি হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।

সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, মারার পর ওই উটগুলির দেহাংশ মাটিতে পুড়িয়ে ফেলা হবে অথবা তা পুড়িয়ে ফেলা হবে। কিন্তু একসঙ্গে অত উটের দেহাবশেষ পুড়িয়ে ফেললে বায়ু যে ভয়ঙ্কর ভাবে দূষিত হতে পারে, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

১৮০০ সালের পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ উনবিংশ শতকে ভারত ও আফগানিস্তান থেকে বহু উট নেয় ভারত। পরিবহণ ও নির্মান কাজে ওই প্রাণীগুলিকে ব্যবহার করা হতে থেকে। দাবি করা হয়েছে, যদি উট না মেরে ফেলা হয় তবে আগামী ন’বছরে উটের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও