সিডনি: সিরিজের প্রথম ম্যাচেই অজিদের ব্যাটিং দাপট৷ ৮ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা টিম ইন্ডিয়ার বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন অজি ব্যাটসম্যানরা৷ প্রথম দুই ওপেনারের দেড়শো রানের পার্টনারশিপে বড় রানের ভিত গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ টি-২০ ঢংয়ে ব্যাটিং করে বিরাটদের কঠিন টার্গেট দিল অজিবাহিনী৷

শক্ত ভিতের উপর রানের ইমারত গড়ল অস্ট্রেলিয়া৷ অ্যারন ফিঞ্চ ও স্মিথের দুরন্ত সেঞ্চুরি এবং ডেভিড ওয়ার্নারের হাফ-সেঞ্চুরি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ঝোড়ো ইনিংসে বিরাট কোহলির সামনে ৩৭৫ রানের টার্গেট রাখল অস্ট্রেলিয়া৷ এসসিজি-তে সিরিজের প্রথম টস জিতে প্রথম ব্যাটিং করে ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করেন অজি ব্যাটসম্যানরা৷

ওপেনিং জুটি ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ ১৫৬ রান যোগ করে দিনের শুরুটা করেছিলেন৷ তারপর স্মিথ ও ম্যাক্সওয়েল বিরাটের বোলার ক্লাবস্তরে নামিয়ে এনে অস্ট্রেলিয়াকে সাড়ে রানের গণ্টি পার করান৷ ব্যক্তিগত ১১৪ রানে অজি ক্যাপ্টেন ফিঞ্চ জসপ্রীত বুমরাহের শিকার হন৷ ১২৪ বলের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারি হাঁকান ফিঞ্চ৷ পাঁচ ম্যাচ পর ওয়ান ডে ক্রিকেটে উইকেট পেলেন বুমরাহ৷ তার আগে অবশ্য ওয়ান ডে ক্রিকেটে এদিন তাঁর ১৭তম সেঞ্চুরিটি করেন ফিঞ্চ৷

এর আগে ওয়ার্নারকে ব্যক্তিগত ৬৯ রানে ফেরান মহম্মদ শামি৷ ওয়ার্নার ফিরে যাওয়ার পর ব্যাট হাতে দাপট দেখান স্মিথ৷ মাত্র ৬২ বলে ১০টি বাউন্ডারির ও ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন প্রাক্তন অজি অধিনায়ক৷ অজি ক্রিকেটারদের মধ্যে এটি তৃতীয় দ্রুততম ওয়ান ডে সেঞ্চুরি৷ শেষ ইনিংসের শেষ ওভারে শামির বলে ১০৫ রান করে আউট হন৷ ওয়ান ডে ক্রিকেটে এদিন তাঁর দশম সেঞ্চুরিটি করেন স্মিথ৷

এর আগে অবশ্য ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে বড় রানের রাস্তা করেন দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল৷ পাঁচটি বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি মারেন ম্যাক্সি৷ ভারতীয় বোলারদের পিটিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় রানে পৌঁছে দেয় ফিঞ্চ অ্যান্ড কোং৷ শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া৷

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মার খান যুবেন্দ্র চাহাল৷ ১০ ওভারে ৮৯ রান দেন এই লেগ-স্পিনার৷ ১০ ওভারে ৮৩ রান খরচ করেন নভদীপ সাইনি৷ ৭৩ রান দেন বুমরাহ৷ ভারতের সফলতম বোলার হলেন শামি৷ ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি৷ জাদেজা কোনও উইকেট না-পেয়ে ৬৩ রান দেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।