মুম্বই: বিরাট কোহলির স্বার্থত্যাগেও জটিলতা কাটার লক্ষণ দেখা গেল না৷ বরং টপ অর্ডারের সমস্যায় নজর দিতে গিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট মিডল অর্ডারে জট পাকিয়ে বসে৷ প্রাথমিকভাবে ভারতের পরিকল্পনা যথার্থ মনে হলেও ইনিংসের শেষে ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন দেখাচ্ছে৷

ব্যাটিং অর্ডারে উল্লেখযোগ্য রদবদল করে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সফল হওয়ার রাস্তা খোঁজা ভারত শেষমেশ ওয়াংখেড়েতে ৪৯.১ ওভারে অল-আউট হয়ে যায় ২৫৫ রানে৷ অর্থাৎ জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ৫০ ওভারে ২৫৬ রান৷

আরও পড়ুন: ভারতে পা-রেখেই পুরস্কার পেলেন নাইট তারকা

ফর্মে থাকা তিন জন ওপেনারকে প্রথম একাদশে জায়গা করে দিতে গিয়ে কোহলি নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারের চার নম্বরে নামিয়ে আনেন৷ রোহিতের সঙ্গে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন শিখর ধাওয়ান৷ রোহিত ১৫ বলে ১০ রান করে আউট হওয়ার পর তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন লোকেশ রাহুল৷

ওপেনিং জুটিতে মাত্র ১৩ রান উঠলেও কেএলকে সঙ্গে নিয়ে বিপর্যয় রোধ করেন ধাওয়ান৷ দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১২১ রান যোগ করে ধাওয়ান-রাহুল ভারতীয় ইনিংসের ভিত গড়ে দেন৷ তবে লোকেশ ৬১ বলে ৪৭ ও ধাওয়ান দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে আউট হওয়ার পরেই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে৷

আরও পড়ুন: আর্চারের হেনস্থাকারীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কিউয়ি বোর্ডের

বিরাট কোহলি চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৬ রানে আউট হন৷ শ্রেয়স আইয়ার ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ শ্রেয়স চার নম্বরে ব্যাট করে সফল হয়েছিলেন৷ এবার ব্যাটিং অর্ডার বদলের পর পুনরায় ব্যর্থ হলেন৷ ফলে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে পরীক্ষি-নিরীক্ষা প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়৷

ঋষভ পন্ত ২৮, রবীন্দ্র জাদেজা ২৫, শার্দুল ঠাকুর ১৩, মহম্মদ শামি ১০ ও কুলদীপ যাদব ১৭ রান করে আউট হন৷ বুমরাহ নট-আউট থাকলেও কোনও বল খেলার সুযোগ হয়নি৷

মিচেল স্টার্ক ৫৬ রানে ৩টি উইকেট নেন৷ প্যাট কামিন্স ও কেন রিচার্ডসন ২টি করে উইকেট দখল করেন৷ ১টি করে উিকেট নেন দুই স্পিনার অ্যাস্টন এগর ও অ্যাডাম জাম্পা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।