ম্যাঞ্চেস্টার: লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের শেষ ম্যাচে জিততে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে৷ চলতি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের সার্বিক পারফরম্যান্সের দিতে তাকালে কাজটা সহজ মনে হলেও বাস্তবে দেখা গেল অন্য ছবি৷ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় রানের লক্ষ্যমাত্রা ঝুলিয়ে দিল ডু’প্লেসিরা৷ দলনায়কের দুরন্ত শতরান এবং কুইন্টন ডি’কক ও ভ্যান ডার দাসেনের জোড়া অর্ধশতরানে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ৩২৫ রান তোলে৷ অর্থাৎ ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্বকাপের শেষ লিগ ম্যাচে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়াকে তুলতে হবে ৩২৬৷

ইনিংসের শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ৬.১ ওভারে দলগত ৫০ রানের গণ্ডি টপকে যায় প্রোটিয়ারা৷ ওপেনিং জুটিতে ৭৯ রান তুলে আউট হন মার্করাম৷ ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৭ বলে ৩৪ রান করে লায়নের বলে স্ট্যাম্প আউট হন তিনি৷

ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরির গণ্ডি পার করে ক্রিজ ছাড়েন অপর ওপেনার কুইন্টন ডি’কক৷ ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫১ বলে ৫২ রান করে লায়নের বলেই স্টার্কের হাতে ধরা পড়েন ডি’কক৷ ভ্যান ডার দাসেনকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন ডু’প্লেসি৷ ব্যক্তিগত শতরানে পৌঁছনোর পর বেহরেনডর্ফের বলে স্টার্ককে ক্যাচ দিয়ে বসেন প্রোটিয়া দলনায়ক৷ ৯৪ বলে ১০০ রানের ইনিংসে তিনি ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷

অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন দাসেন৷ তিনি ৯৭ বলে ৯৫ রান করে কামিন্সের শিকার হন৷ দাসেন ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন৷ ডুমিনি (১৪) ও প্রিটোরিয়াসকে (২) পর পর সাজঘরে ফেরান স্টার্ক৷ ফেলুকাওয়ো অপরাজিত থাকেন ব্যক্তিগত ৪ রানে৷

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও নাথন লায়ন৷ ১টি করে উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিন্স ও জেসন বেহরেনডর্ফ৷ স্টিভ স্মিথ, মার্কাস স্টোইনিস ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল কোনও উইকেট পাননি৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।