সিডনি: এসসিজি’তে নিউজিল্যান্ডকে ফলো-অন করানোর সুযোগ ছিল অস্ট্রেলিয়ার সামনে৷ প্রথম ইনিংসের নিরিখে পর্যাপ্ত লিড হাতে থাকা সত্ত্বেও কিউয়িদের ফলো-অনের লজ্জা থেকে মুক্তি দিল অজিরা৷

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ৪৫৪ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ড অল-আউট হয়ে যায় ২৫১ রানে৷ ফলো-অন এড়াতে তাদের প্রয়োজন ছিল ২৫৫ রান৷ সুতরাং, প্রথম ইনিংসের নিরিখে ২০৩ রানের বিশাল লিড পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া৷ নিউজিল্যান্ডকে পুনরায় ব্যাট করতে বাধ্য করার পক্ষে যথেষ্ট ছিল এই লিড৷ তা সত্ত্বেও সে পথে হাঁটেনি টিম পেইনের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দল৷ পরিবর্তে নিজেরাই দ্বিতীয় দফায় ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অজিরা৷

আরও পড়ুন: ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা ইরফান পাঠানের

তৃতীয় দিনের শেষে স্বাভাবিকভাবেই সিডনি টেস্টে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া৷ দ্বিতীয় ইনিংসে আপাতত অজিরা তুলেছে বিনা উইকেটে ৪০ রান৷ অর্থাৎ, নিউজিল্যান্ডের থেকে এখনই অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে রয়েছে ২৪৩ রানে৷

এর আগে পারথে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং মেলবোর্নে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও নিউজিল্যান্ডকে ফলো-অন করানোর সুযোগ ছিল অস্ট্রেলিয়ার সামনে৷ তবে দু’বারই তারা কিউয়িদের পুনরায় ব্যাট করতে ডাকেনি৷ এই নিয়ে সিরিজে তৃতীয় বার প্রতিবেশী দেশকে ফলো-অন না করানোর সিদ্ধান্ত নিল অস্ট্রেলিয়া৷

আরও পড়ুন: সবটা না জেনে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ বিরাট

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের পালটা ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় দিনের শেষে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তুলেছিল৷ তার পর থেকে খেলতে নেমে তৃতীয় দিনে নিউজিল্যান্ডের দশ জন ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন ১৮৮ রান যোগ করে৷ কেন উইলিয়ামসনের পরিবর্তে নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিনে নামা টম লাথাম ৪৯ রানে আউট হন৷ অভিষেককারী গ্লেন ফিলিপস দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন৷

এছাড়া টম ব্লান্ডেল ৩৪, জিৎ রাভাল ৩১, রস টেলর ২২, বিজে ওয়াটলিং ৯, কলিন ডি’গ্র্যান্ডহোম ২০ ও টড অ্যাস্টল অপরাজিত ২৫ রানের যোগদান রাখেন৷ নাথন লায়ন ৬৮ রানের বিনিময়ে ৫টি উইকেট দখল করেন৷ ৪৪ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিন্স৷