কিম্বারলে: দাদাদের পথ অনুসরণ করতে ব্যর্থ ভাইরা। গত বছর জুলাইতে ইয়ন মর্গ্যান নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডের বিশ্বজয়ের পর অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের ছোটদের ঘিরে প্রত্যাশা করেছিলেন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু প্রত্যাশার দাম দিতে ব্যর্থ জর্জ ব্যালডারসন অ্যান্ড কোম্পানী। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ রাউন্ড থেকেই ছিটকে গেল থ্রিক-লায়ন্সরা।

গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে শেষ বলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল অনুর্ধ্ব-১৯ ইংল্যান্ড দল। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৭১ রানে হারের পর বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের কাছে ছিল টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াই। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে নাইজিরিয়াকে ১০ উইকেটে হারানো তিনবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ডকে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫২ রান তোলে ইংরেজরা। ওপেনার বেন চার্লসওয়ার্থের করেন ৮২ রান।

অর্ধশতরান আসে ডেন মোসলের ব্যাট থেকে। ৪৪ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন দলের সাত নম্বর ব্যাটসম্যান। সঙ্গী হিসেবে ক্যাসে অ্যালড্রিজের ২৫ বলে ৩২ রান আড়াইশোর গন্ডি পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। অষ্টম উইকেটে অবিভক্ত ৬০ রানের অবদান রাখেন মোসলে-অ্যালড্রিজ জুটি।

জবাবে ৭০ রানে ২ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরেন অধিনায়ক ম্যাকেঞ্জি হার্ভে ও ল্যাচলান হার্নে। তৃতীয় উইকেটে ৮৩ রান যোগ করে দলের জয় অনেকটা সহজ করে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। ৬৫ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন ম্যাকেঞ্জি হার্ভে। মূল্যবান ৪৫ রান আসে ল্যাচলান হার্নের ব্যাট থেকে। কিন্তু এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৪৫.৪ ওভারে ২০৬ রানে ৮ উইকেট খুঁইয়ে বসে তারা।

শেষদিকে ক্যাঙ্গারুব্রিগেডের ত্রাতা হয়ে দেখা দেন বল হাতে সবচেয়ে সফল কোন্নর সুলি। ১০ ওভারে ৩৯ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে তাঁর ২০ বলে ৩৫ রানের ইনিংস শেষ বলে জয় এনে দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। ১০ বলে ১৬ রান করে সুলিকে যোগ্য সহযোগীতা করেন টড মারফি। নবম উইকেটে ২৫ বলে ৪৭ রান করে শেষ বলে দলকে ২ উইকেটে থ্রিলার জয় এনে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। সঙ্গত কারণেই ম্যাচের সেরা হয়েছেন সুলি।