লন্ডন: ক্রিকেট মক্কায় ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া৷ মঙ্গলবার লর্ডসে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৬৪ রানে দুরমুশ করে অজিবাহিনী৷ ২৮৬ রান তাড়া করে ২২১ রানে শেষ হয়ে যায় ইংরেজদের লড়াই৷ অর্থাৎ বিশ্বকাপে ‘অ্যাশেজ যুদ্ধে’ জয়ী অস্ট্রেলিয়া৷

অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের দুরন্ত শতরানে এক সময় মনে হয়েছিল তিনশোর গণ্ডি টপকে যাবে অস্ট্রেলিয়া৷ কিন্তু স্লগ ওভারে ইংল্যান্ড বোলারদের নিয়ন্ত্রিত্র বোলিংয়ে ২৮৫ রানে থেমে গেল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস৷ লর্ডসের বাইশ গজে এই রান তাড়া করা সহজ ছিল না ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের কাছে৷ হলোও তাই৷ ৪৫ ওভারে শেষ হয়ে গেল ইংল্যান্ড ইনিংস৷

দু’দলের কাছেই এই ম্যাচ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ তবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে হারায় চাপে ছিল ইংল্যান্ড৷ তারপর আগের ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২৩৩ রান তাড়া করেছে হেরেছে মর্গ্যান অ্যান্ড কোং৷ সুতরাং এই ম্যাচ হারায় সেমিফাইনালে যাওয়া কঠিন হয়ে গেল ‘ফেভারিট’ তকমা পাওয়া ইংল্যান্ডের৷ ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট সম্বল মর্গ্যানের দল৷ আর ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়া৷

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অবশ্য টস ভাগ্য সঙ্গ দেয় ইংল্যান্ডের৷ টস জিতে ব্রিটিশ অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান অস্ট্রেলিয়াকে৷ দুই অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ দারুণ শুরু করেন৷ ওপেনিং জুটিতে ১২৩ রান তোলে অজি ওপেনাররা৷ ইনিংসের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার রানের গতি মন্থর থাকলেও ওয়ার্নার-ফিঞ্চ পরের দিকে রানের গতি বাড়ায়৷

ওয়ার্নার ব্যক্তিগত ৫৩ রানে ড্রেসিংরুমে ফেরেন৷ কিন্তু দারুণ লড়াই করে চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি করেন অজি ক্যাপ্টেন৷ ওয়ান ডে কেরিয়ারে এটি ১৫তম সেঞ্চুরি ফিঞ্চের৷ ১১৬ বলের ইনিংসে ১০০ রান করেন তিনি৷ এর আগে ওভালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৫৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ফিঞ্চ৷ সাতটি ম্যাচে দু’টি সেঞ্চুরি এবং তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি এসেছে অজি অধিনায়কের ব্যাট থেকে৷ ফিঞ্চ ও ওয়ার্নার ছাড়াও স্মিথ এবং ক্যারি দু’জনেই ৩৮ রান করে করেন৷ ২৭ বলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৮ রান করেন ক্যারি৷