ম্যাঞ্চেস্টার: চলতি অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের সামনে সব থেকে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন স্টিভ স্মিথ৷ বার্মিংহ্যামে অ্যাশেজের প্রথম ম্যাচ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে কাম ব্যাক করেন স্মিথ৷ ফিরে আসা যাবৎ ব্রিটিশ বোলারদের আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন তিনি৷ লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে জোফ্রা আর্চারের বলে ঘাড়ে চোট পেলে লিডসের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি৷ তাই হেডিংলেতে সাময়িকভাবে স্বস্তিতে ছিলেন ব্রডরা৷ চোট সারিয়ে ম্যাঞ্চেস্টারে দলে ফেরার পর পুনরায় অজি ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছেন স্মিথ৷

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্টের বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়াকে টানছেন স্মিথই৷ তাঁকে যথাযোগ্য সঙ্গত করেন মার্নাস ল্যাবুশেন, স্মিথ চোট না-পেলে যাঁর প্রথম একাদশে ঢোকাই অনিশ্চিত ছিল৷

আরও পড়ুন: রিজার্ভ ডে’তে গড়ালো ধাওয়ান ধমাকা

মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া, সঙ্গে জোরালো বাতাস৷ পেসারদের অনুকূল পরিস্থিতি হওয়া সত্ত্বেও টস জিতে অজি অধিনায়ক টিম পেইন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন৷ শুরুতেই দুই ওপেনার আউট হয়ে বসায় পেইনের সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক, তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়৷ তবে ল্যাবুশেনকে সঙ্গে নিয়ে স্মিথ বুঝিয়ে দেন যে, সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন অজি দলনায়ক৷

মাত্র ২৮ রানের মধ্যে ডেভিড ওয়ার্নার ও মার্কাস হ্যারিস সাজঘরে ফেরেন৷ খাতা খুলতে পারেননি ওয়ার্নার৷ হ্যারিস আউট হন ব্যক্তিগত ১৩ রানে৷ ল্যাবুশেনকে সঙ্গে নিয়ে স্মিথ তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ১১৬ রান যোগ করেন স্মিথ এবং প্রাথমিক বিপর্যয় রোধ করেন৷

আরও পড়ুন: কনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে পনেরো বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন রশিদ

শেষে চলতি সিরিজে উপর্যুপরি নিজের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি করে আউট হন ল্যাবুশেন৷ লর্ডসে স্মিথের কনকাশন পরিবর্ত হিসাবে খেলতে নেমে ৫৯ রান করেছিলেন তিনি৷ লিডসের দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৭৪ ও ৮০ রানের যোগদান রাখেন৷ বুধবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১২৮ বলে ৬৭ রান করে ক্রিজ ছাড়েন ল্যাবুশেন৷

সারা দিনে খেলা হয় মাত্র ৪৪ ওভার৷ বৃষ্টিতে দিনের মতো খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান তুলেছে৷ ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯৩ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন স্মিথ৷ সঙ্গে ব্যক্তিগত ১৮ রানে ব্যাট করছেন ট্রেভিস হেড৷

আরও পড়ুন: ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকল টেস্ট ক্রিকেট

ইংল্যান্ডের হয়ে ২টি উইকেট নিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড৷ ১টি উইকেট ক্রেগ ওভার্টনের৷ আর্চার, স্টোকস ও লিচ কোনও উইকেট পাননি৷