মেলবোর্ন: করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হয়ে গেল আরও একটি দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ৷ অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ সিরিজ স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ মঙ্গলবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে এমনটা জানানো হয়৷ এর ফলে অজি ও উইন্ডিজ ক্রিকেটারের পুরো আইপিএল খেলতে বাধা রইল না৷

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড অক্টোবরে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে খেলার কথা ছিল এই সিরিজ৷ টাউন্সভিল, কেয়ার্নস ও গোল্ড কোস্টে ম্যাচগুলো হওয়ার কথা ছিল যথাক্রমে অক্টোবরের ৪, ৬ ও ৯ তারিখে। এই ম্যাচগুলি আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের অনুশীলন হিসাবে খেলার কথা ছিল দু’দেশের মধ্যে৷ মেগা টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের প্রস্তুতি ও শক্তি পরীক্ষার জন্য ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ খেলতে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।

কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এই গত মাসেই টি-২০ বিশ্বকাপ স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি৷ চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফলে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি সিরিজ স্থগিত রাখতে খুব বেশি ভাবতে হয়নি অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডকে৷ ২০২১ বা ২০২২ সালে যখন টি-২০ বিশ্বকাপ হবে, তার আগে এই সিরিজ হবে বলে জানানো হয়েছে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে এদিন এক টুইট বার্তায় জানানো হয়, ‘উইন্ডিজক্রিকেটের সঙ্গে আমরা একত্রে কুইন্সল্যান্ডে মূলত নির্ধারিত টি-২০ সিরিজ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছি। আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের অনুশীলন হিসাবে কাজ করা এই সিরিজটি এখন ২০২১ বা ২০২২ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পুনরায় নির্ধারিত টি-২০ বিশ্বকাপের সঙ্গে মিলবে।’

তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ স্থগিত হয়ে যাওয়ার ফলে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের আইপিএল খেলায় আর কোনও সমস্যা নেই। কোনও ভাবেই আর বিঘ্নিত হবে না আইপিএল। অর্থাৎ এই সিরিজ স্থগিত হয়ে যাওয়ার ফলে দু’দেশের ক্রিকেটারদের আইপিএল-এর মাঝপথে ফ্র্যাঞ্চাইজি দল ছেড়ে দেশে ফেরার সম্ভাবনা থাকছে না৷ ফলে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল, ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের মতো তারকা ক্রিকেটারদের সার্ভিস মিস করবে না। ২০২০ আইপিএল হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে৷ টুর্নামেন্ট শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। ফাইনাল ১০ নভেম্বর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।