ওয়াশিংটন:  বিশ্বের গাড়ি বাজারে ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে ওডি। গত কয়েকদিন আগে ইলেকট্রিক ভেইকল বিশ্বের বাজারে লঞ্চ করে এই গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা। যা কিনা যথেষ্ট নজর কেড়েছিল গাড়িপ্রেমীদের কাছে। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা। ব্যাটারিতে আগুন লাগার কারণে সংস্থার অর্ধেকেরও বেশি ই-ভেইকল ফিরিয়ে নিচ্ছে ওডি। ই-ট্রোন গাড়িটি ওডির প্রথম ই-ভেইকল।

এই বছরের এপ্রিলে বৈদ্যুতিক গাড়িটি বাজারে আনে ওডি। এখনও পর্যন্ত বিক্রি হওয়া প্রায় অর্ধেকেরও বেশি গাড়ি ফেরত চেয়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় এই গাড়ি প্রস্ততকারী সংস্থাটি। ওডির পক্ষ থেকে এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই প্রায় ৫৪০টি ই-ট্রোন গাড়ি ফেরত চাওয়া হয়েছে। আমেরিকার পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে এই গাড়ি বিক্রি করা হয়েছে। ধীরে ধীরে সেগুলিও ফেরত চেয়ে নেওয়া হবে বলে এই গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, আক্রান্ত গাড়িগুলোর ওয়্যারিং ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে আলাদা আলাদা ব্যাটারি সেলে আর্দ্রতা জমা হতে পারে। আর তা থেকে আগুন লাগার আশঙ্কা রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও গাড়িতে আগুন লাগার বা হতাহতের কোনও অভিযোগ আসেনি। তবে এখনও পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে পাঁচটি গাড়িতে ‘ব্যাটারি ত্রুটির’ জন্যে যে অ্যালার্ট রয়েছে তা জ্বলতে দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

চলতি বছরের অগাস্ট মাসের মধ্যেই গাড়িগুলি সারিয়ে দেবে ওডি। আর এই সময়ের মধ্যে এই মডেলের নতুন গাড়ির বিক্রিও চালিয়ে যাওয়া হবে। সাধারণত জীবাশ্ম জ্বালানি চালিত গাড়ির চেয়ে বৈদ্যুতিক গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা খুব কম। তারপরও বর্তমানে রাস্তায় যেহেতু বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে তাই এটি নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। এর আগে টেসলা গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় বেশ সরগোল হয়েছে। এ ছাড়া এমন ঘটনা ঘটেছে জাগুয়ারসহ অন্যান্য সংস্থার বৈদ্যুতিক গাড়িতেও। ব্রেকিং সমস্যার কারণে আগের সপ্তাহে সংস্থার প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি আই-পেস ফেরতে চেয়েছে জাগুয়ারও। আমেরিকার বুকে বিক্রি হওয়া ৩০০০ আই-পেস গাড়ি এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়।