তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রেলের জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদের খবরে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁকুড়া শহরে। ঘটনাস্থলে বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার গেলেও তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

বাঁকুড়া শহরের স্টেশন মোড় থেকে পাটপুর এলাকায় রেলের জমিতে গত পঞ্চাশ বছর ধরে বেশ কিছু পরিবার বাস করেন। পূনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে ‘ভূমিহীন’ এই মানুষ গুলিকে রেলের তরফে ‘উচ্ছেদ করা’র চেষ্টার অভিযোগ ওঠে।

সোমবার সকাল থেকে এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার সেখানে গেলে তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান তারা।

একই সঙ্গে সাংসদকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। উচ্ছেদের আগে পূনর্বাসনের দাবী জানিয়ে পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের ডিআরএমকে চিঠি দেন আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ শহরের রবীন্দ্র সরণীতে প্রতিকী পথ অবরোধে অংশ নেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।

রেলের জমিতে সরস্বতী বাগদী বলেন, “ডাঃ সুভাষ সরকার সাংসদ হওয়ার পর তাকে এলাকায় দেখা যায়নি । এখন উনি আমাদের কাছে আসছেন। উচ্ছেদের আগে পূনর্বাসন জরুরি বলেই তার দাবি।”

বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকারের বলেন, “আমি ডিআরএমকে বলে উচ্ছেদ বন্ধ করেছি। রাজ্য সরকার জমি দিক ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি তৈরী করে দেওয়া হবে।”

রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা এবিষয়ে বলেন, বিক্ষোভ স্বাভাবিক। লক ডাউনের সময়কালে কোনও বিজেপি নেতাকেই দেখা যায়নি। এখন উনি কি করতে ওখানে গেছেন প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক বলেই তার দাবি।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প