নয়াদিল্লিঃ   হিন্দুসেনার রোষের মুখে সিপিএম সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরি।  খোদ দলের কার্যালয়ে হেনস্তার শিকার হতে হল তাঁকে।  আর এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজধানীতে।

গোপালন ভবনে পলিটব্যুরোর বৈঠকের পর আজ বুধবার তিন তলায় সাংবাদিক সম্মেলনে যাচ্ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ইয়েচুরি।  তখনই, সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে দুই হিন্দু সেনার কর্মী।  সীতারামের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়।  ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান ইয়েচুরি।  ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড বেঁধে যায়।  এই ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের নাম উপেন্দ্র কুমার ও পবণ কৌল বলে জানা গিয়েছে।

কিছুক্ষণ পর টুইটারে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন এই বাম নেতা। বলেন, আমাদের চুপ করাতে সঙ্ঘ গুণ্ডাগিরি চালাচ্ছে।  এতে আমরা ভীত নই।  পিছিয়েও আসব না।  তিনি যোগ করেন, এই লড়াই দেশের আত্মার লড়াই। আমরা জিতবই। হামলার জন্য এদিন মোদী সরকারকেও কটাক্ষ করেন ইয়েচুরি। বলেন, কেন্দ্রের তিন বছর পূর্তি হচ্ছে। এটা তারই উৎসব।

এর আগে, সীতারাম ইয়েচুরিকে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যসভায় পাঠানোর প্রস্তাব খারিজ করে পলিটব্যুরো। এদিনের বৈঠকে সীতারামকে ফের রাজ্যসভায় পাঠানোর প্রস্তাব দেন সূর্যকান্ত মিশ্র। সূত্রের খবর, পলিটব্যুরোর অধিকাংশ সদস্যই বিপক্ষে মত দেন। জানা গিয়েছে, সীতারামকে ঘিরে এদিনের বৈঠকে বেঙ্গল ও কেরল লবির মধ্যেও বাকবিতণ্ডা হয়।  তবে এর সঙ্গে কোন যোগ রয়েছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু পুলিশের তরফে জানানো হয়নি।  অন্যদিকে, কারোর মতে ভারতীয় সেনা নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করা হয়েছে সিপিএমের তরফে।  আর সেই কারণে সিপিএম এই নেতার উপর সম্ভবত এই হামলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.