স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ দিত শ্বশুরবাড়ির লোকজন৷ টাকা নিয়ে আসতে অস্বীকার করায় গৃহবধূকে বাঁশ দিয়ে মাথা ফাটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শ্বশুর শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ আহত অবস্থায় মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটেছে বৈষ্ণবনগর থানার অন্তর্গত গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পীড় পাড়া এলাকায়।

জানা গিয়েছে ওই গৃহবধূর নাম ইসমা বিবি(২৩)। তিনি জানান তার স্বামী ইমান শেখ পেশায় ভিন রাজ্যের শ্রমিক। গত তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর সব ঠিকঠাক থাকলেও বেশ কিছুদিন আগেই স্বামী কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেয়। এরপর থেকেই তার ওপর অত্যাচার শুরু করে শাশুড়ি। বাপের বাড়ি থেকে ৭৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ৷

সেই টাকা নিয়ে আসতে অস্বীকার করলে ওই গৃহবধূকে মারধর এমনকি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে তারা। অভিযোগ শুক্রবার রাতে শ্বশুর শাশুড়ি ও দেওর তার ওপর চড়াও হয়৷ কোনও রকমে বাপের বাড়িতে খবর পাঠান ওই গৃহবধূ৷ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তার মাথায় আঘাত গুরুতর থাকায় স্থানান্তরিত করা হয় মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে৷

 

ঘটনার পর আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শ্বশুর মহিবুল শেখ, শাশুড়ি তাইফুল বিবি ও দেওর ইনসান শেখের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.