প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এবার উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে গভীর রাতে তৃণমূল কার্যালয়ে বোমাবাজির ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির ৬ নম্বর বিজয়নগর এলাকায়।

ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভির ফুটেজে খতিয়ে দেখা যায় শনিবার মাঝরাতে একটি মোটর বাইকে করে ৩ জন দুষ্কৃতী আসে ওই এলাকায়। তারা বাইক দাঁড় করিয়ে রাখে এরপর সেই বাইক থেকে ১ জন নেমে নৈহাটিতে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়ে পর পর ২ টি বোমা ছোঁড়ে । এরপর ওই দুষ্কৃতীরা বাইক নিয়ে পালিয়ে যায় । গোটা ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিজয় নগর এলাকায় ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নৈহাটি থানার পুলিশ। নৈহাটি পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য তথা নৈহাটি শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা সনৎ দের বাড়ির পাশেই তৃণমূলের ওই দলীয় কার্যালয়। তিনি ওই কার্যালয়ে রাত ১২ টা পর্যন্ত ছিলেন। তারপর এই ঘটনা ঘটে ।

এই বিষয়ে সনৎ দে বলেন, “বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বোমা বাজি করে জয় শ্রী রাম ধ্বনী দিতে দিতে চলে যায়। অর্জুন সিংয়ের গুণ্ডাবাহিনীর কার্যকলাপ এইসব। ওরা ভোটের আগে এসব করে আমাদের ভয় দেখিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে দিতে চাইছে । এতে কিছু লাভ হবে না। যদি সাহস থাকে । রাত ১২ টার আগে আসুক, এই দলীয় কার্যালয়ে থাকি আমি । এসব কাপুরুষের মত কাজ । পুলিশকে জানিয়েছি । সিসিটিভির ফুটেজ আছে, পুলিশ তদন্ত করছে।”

যদিও এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। নৈহাটির বিজেপি নেত্রী রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ফাল্গুনী পাত্র বলেন, “সনৎ দের বাড়ি বা উনার পার্টি অফিসে হামলা বা বোমাবাজি বারবার কেন হয় ? আসলে এটা ওদের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল । প্রশাসন তো ওদের, নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই সত্যি ঘটনা বেরিয়ে আসবে । সঠিক ভাবে তদন্ত করে দেখুক, কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে । নিজেদের দ্বন্দ বিজেপির ঘাড়ে চাপাচ্ছে । বিজেপি হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় ।”

গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নৈহাটি থানার পুলিশ । পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।