কলকাতা: শহরে সমস্ত আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। তারপর থেকেই বিজেপির উপর তাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এবার বিজেপির ছাত্র সংগঠনের অভিযোগ তাদের কলকাতার অফিসে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। অভিযোগ ভাঙা হয়েছে মনীষীদের ছবিও। অভিযোগ নন্দীগ্রামের ফলের জন্য দায়ী এভিবিপিকে দায়ী করে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।

এভিবিপি’র অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফলাফল আসার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের জাতীয়তাবাদী আদর্শের কার্যকর্তা এবং তাদের ঘর-বাড়ির উপর দিকে দিকে টিএমসির গুন্ডা বাহিনী হামলা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার বেলা ১২:৪৫ নাগাদ অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের রাজ্য কার্যালয়ের ভিতরে(৪৪ বলদেব পাড়ারোড মানিকতলা, কলকাতা) ভাঙচুর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের ১০-১২ জন গুন্ডা তান্ডব চালায় কার্যালয়ে এবং মাটিতে ফেলে দেয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি , নেতাজীর ছবি, বিদ্যাসাগরের ছবি, স্বামীজির ছবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি এছাড়াও অন্যান্য মহাপুরুষের ছবি’

তারা অভিযোগ করেছে, ‘নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের জন্য এবিভিপিকে দায়ী করে খুনের হুমকি দেওয়া হয়, এবিভিপি দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত কার্যালয়ে টিএমসি গুন্ডাদের দ্বারা যখন হামলা চালায় এবিভিপির রাষ্ট্রীয় সহ-সংগঠন সম্পাদক শ্রী শ্রীনিবাস জী, পূর্ব ক্ষেত্রীয় সংগঠন সম্পাদক শ্রী গোবিন্দ নায়েক জি, পূর্ব ক্ষেত্রীয় সহ-সংগঠন সম্পাদক শ্রী অপাংশু শেখর শীল জি, প্রদেশের সহ সম্পাদক সানি সিংহ , বঙ্গ বিদ্যার্থীর সম্পাদক সুমন চন্দ্র দাস সহ চারজন কার্যকর্তাদের উপর প্রাণঘাতি হামলা হয়।’

একইসঙ্গে তাদের অভিযোগ, ‘কম্পিউটার কক্ষও ভাঙচুর করে। কার্যালয় মধ্যস্থ সকল কার্যকর্তাদের উপর প্রাণঘাতি হামলা করে। এবিভিপি এই টিএমসির গুন্ডাদের দ্বারা সংঘটিত উত্তেজনা মূলক হিংসার ঘটনাকে তীব্র সমালোচনা জানায় এবং একই সাথে নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষার জন্য সরকারের কাছে দাবি রাখছি।’

এবিভিপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে কঠোর আইনী ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মেসেজ পড়ে অভিযোগ করেন সেখানকার রিটার্নিং অফিসারকে প্রাণঘাতি হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তাই তিনি ভয়ে পুনর্গণনায় না করে দেন। তিনি এটা নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন বলে আগেই জানিয়েছেন। ভোট হওয়া ইভিএম কড়া নজরে রাখবে তৃণমূল। তাও জানিয়েছেন তিনি। পাশপাশি সমর্থকদের শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.