ঢাকা: পার্বত্য চট্টগ্রাম বারবার রক্তাক্ত হয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গুলির লড়াইয়ে। একাধিক গোষ্ঠী এমন ঘটনায় জড়িত। এবার হামলা হলো খোদ সরকারি দফতরেই। প্রকাশ্যে গুলি করে খুব করার ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থল পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটির বাঘাইছড়ি। এখানকার প্রকল্প বাস্তবায়ন বিভাগ কর্মকর্তার (পিআইও) দফতরে ঢুকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সমর বিজয় চাকমাকে গুলি করে খুন করা হয়েছে।

মৃত সমর বিজয় চাকমার নিজেও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের একটি গোষ্ঠীর নেতা। জানা গিয়েছে তিনি, এমএন লারমা গ্রুপের পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির উপজেলা শাখার ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক।

পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদের অধিকার রক্ষা ও স্বশাসনের দাবিতে দীর্ঘ সময় ধরে চলা সশস্ত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) বাংলাদেশ সরকারের শান্তিচুক্তি মেনে নিয়েছিল ১৯৯৭ সালে। এখন জেএসএস মূলত দুটি সংগঠনে বিভক্ত। একটি এমএন লারমা গোষ্ঠী। অপরটি হলো সন্তু লারমা গোষ্ঠী। এই দুই সংগঠনের পারস্পরিক সংঘর্ষে বারবার রক্তাক্ত হয়েছে এলাকা।

নিহত সমর বিজয় চাকমার খুনের পিছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণ উঠে আসছে। পুলিশ জানায়, বাঘাইছড়ি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দফতরে এদিন কয়েকজন আসে বাইক নিয়ে। অফিসে ঢুকে সমর বিজয় চাকমাকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই সমরের মৃত্যু হয়। হামলাকারীরা অফিসের বাইরে বের হয়ে ফাঁকা গুলি করে বাকিদের ভয় দেখান।তারপর বাইকে চেপে পালায়।

বাঘাইছড়ি থানার ওসি মহম্মদ আনোয়ার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি এলাকায় টহল জোরদার করেছে। সমর বিজয় চাকমার খুনের ঘটনায় এমএন লারমা গ্রুপের জনসংহতি সমিতি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএস সন্তু লারমা দলের তরফে।

এক নজরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি:

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি ও বাঙালি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্পাদিত হয় একটি শান্তি চুক্তি। পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের প্রতিনিধি বলে দাবি করা জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।এরপর ধীরে ধীরে উপজাতি-বাঙালি সংঘর্ষ হ্রাস পায়। চুক্তির অধিকাংশ শর্ত সরকার বাস্তবায়ন করেনি বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।