লখনউ: ভিজিটার ভিসায় আসা ৩১ জন পাকিস্তানির খোঁজ শুরু করল ভারতের তদন্তকারি এজেন্সী সংস্থাগুলি৷ স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতে এসে নিখোঁজ পাকিস্তানির খোঁজ চালাচ্ছে এটিএস এবং অন্যান্য তদন্তকারি সংস্থাগুলি৷

ফাইল ছবি

ভিক্টোরিয়া স্ট্রিটের বাসিন্দা সলমান প্রায় দিন তার বাড়িতে দরজায় কড়া নাড়ানোর কারনে যথেষ্ট রুষ্ট৷ করাচি থেকে তার ঠিকানায় ভিজিটার ভিসায় আসা পাকিস্তানি নাগরিক জুবৈরের খোঁজে প্রায় তদন্তকারি সংস্থার কর্তারা তাঁর বাড়িতে হানা দেয়৷ তদন্তকারিদের আসা মাত্রই জুবৈরের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এলাকায় জোর আলোচনা শুরু হয়ে যায়৷ জুবৈর কে সেই বিষয়ে সলমান বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুই জানেন না বলেই দাবি করেন৷

ফাইল ছবি

আরও একবার এই তদন্তকারি সংস্থা ভারতে এসে নিখোঁজ ৩১ জন পাকিস্তানি নাগরিকের খোঁজ শুরু করে দিয়েছে৷ এই ৩১ জন পাকিস্তানি নাগরিক পাকিস্তানে এখনও নিখোঁজ৷ ভারতে আসার পর তারা কোথায় গিয়েছে তার এখনও কোনও তথ্য পায়নি তদন্ত সংস্থাগুলি৷ এই ৩১ জন পাকিস্তানি নাগরিকদের খোঁজ পেতে সবার আগে তদন্তকারিরা সেই ঠিকানায় হানা দিচ্ছে যেখানকার ঠিকানা তাদের ভিজিটার ভিসায় দেওয়া রয়েছে৷

এর আগে নিখোঁজ এই পাকিস্তানিদের যতবার সুরক্ষা এজেন্সির অফিসারেরা খোঁজ করেছেন তাদের হাতে শুধু মাত্র অসফলতা উঠে এসেছে৷ এবার আরও একবার এই চেষ্টা শুরু করেছেন তদন্তকারিরা৷ কৈন্টের বাসিন্দা মহম্মদ সফির ঠিকানায় করাচির বাসিন্দা ইয়াকুব ভারতে এসেছিল৷ সফির পরিবারও বারবার জিজ্ঞাসাবাদের থেকে হাঁফিয়ে উঠেছে৷ পাকিস্তানি বাসিন্দারা ভিজিটার ভিসায় ঠিকানা লেখার দরুণ বারংবার জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়েছে৷ যার ফলে তারা বিরক্তি প্রকাশ করেছে৷

তদন্তকারি সংস্থার এক আধিকারিক জানান ভারতে এসে নিখোঁজ হওয়া পাকিস্তানিদের মধ্যে বেশিরভাগই করাচির বাসিন্দা রয়েছে৷ তাদের বিষয়ে খোঁজ পেতে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারিরা৷ প্রথমে তাদের ভিসার ঠিকানা ধরেই তদন্তকারিরা এগোচ্ছেন৷ তবে দেখা য়াচ্ছে এই সব ঠিকানাই জাল বলে জানান এটিএসের এক কর্তা৷

জানা যাচ্ছে নিখোঁজদের মধ্যে অনেকেরই ১০০ বছরের বেশি বয়স হয়ে গিয়েছে৷ তাই অনুমান করা হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই এখন আর বেঁচে নেই৷ কিন্তু যাদের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত তাদের খোঁজ শুরু করা হয়েছে৷ তাদের খোঁজ পেতে নথিপত্রও ঘেটে দেখছেন তদন্তকারি অফিসারেরা৷